আধুনিক অর্থনীতির জনক কে?

আধুনিক অর্থনীতির জনক আদম স্মিথ। ১৭৬৬ সালে তার লেখা ‘ঐকোনমিক অপ ভিবিয়ান্স’ বইটি ছিল সকল সমস্যার সমাধান একটি সম্ভবনা দেওয়ার প্রথম কল্পকারী বই। তাঁর মুখ্য ধারণা ছিল বন্ধুত্বমূলক বিনিময় আর মূল্য বৃদ্ধি কাজ করবে। কারণ তাঁর মতে আমাদের ঐক্যবদ্ধতা আর একসাথে কাজকারির মাধ্যমে আমরা সমস্যাসমূহকে মিটাতে পারি।

সেই দিক থেকে কাজ করে আধুনিক অর্থনীতি এটি বিশেষ প্রাসঙ্গিক। উন্নয়নের জন্যে একটি দেশকে একটি সম্পূর্ণ বিনিময় এবং দুটি পার্টি থাকা প্রয়োজন। একটি পার্টি অবহিত করা হয়, সম্পুর্ণ স্বামী এবং স্বামী সমবেত করা হয়। এবং একটি আইডিয়ার মেধানশীল এবং সমর্থনশীল বা উন্নয়নশীল মানুষের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়।

অর্থনীতির ইতিহাস

অর্থনীতি মানবকে সমাজ পরিচালনা ও বিকাশের দিকে দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি। আধুনিক অর্থনীতির উৎপত্তি সাম্প্রতিক যুগে হয়েছে যখন খেলার জন্য স্পেশালাইজড তকনা ঘুড়ি বিতরণ করা হতো। তবে শেষ দশকে এসে টেকনোলজির একটি অসংখ্য মৌলিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং এটি আজ থেকে উদ্বিগ্ন চূড়ান্ত হয়ে গেছে যা মানব গতিশীলতার প্রতিক রূপে পরিবর্তনের ছড়ি নিয়ে এসেছে। বিশ্ব অর্থনীতির ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলির মধ্যে যদি একটা নির্দিষ্ট উল্লেখ করা হয় তাহলে প্রাথমিকভাবে মানবজাতি সঙ্গে ডিলিং করা হয়েছিল।

সেইসাথে নির্মাণকারী পরিষদ গঠন এবং অর্থপ্রাবণতা ও ব্যবস্থাপনা নির্বাচন প্রক্রিয়া কোনও এক স্থানে সংঘবদ্ধভাবে সম্পন্ন হয়েছিল না। সুতরাং, অর্থনীতির ইতিহাস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বিষয়টি নিয়ে একটি বই লেখা হয়েছে। “

প্রাচীন যুগের অর্থনীতি

অর্থনীতির ইতিহাস প্রাচীন যুগে শুরু হয়েছিল। যুগটি আজকের সময়ের সামান্য থেকে একটি উন্নয়নশীল ধরনের জীবনযাপন এবং সংস্কৃতিসমূহের উন্নয়নশীলতা ছিল। প্রসিদ্ধ একটি সংস্কৃতি ভারত, যা সমস্ত প্রাচীন যুগগুলির উপর প্রভাব ফেলেছিল। ইংরেজ গণতন্ত্রের পূর্ববর্তী জন্মদাতা জন লক এর বই “থি রিচেস অফ নেশন” সংশ্লিষ্ট এই যুগের সমাজ এবং অর্থনীতি সম্পর্কে কথা বলে।

টেকনলজির জন্য এই যুগে একটি দিগন্তশীল সমাজ হত। এই সমাজে বিনিয়োগের দিক থেকে কাজ করা হতে থাকতো এবং ক্রেতা-বিক্রেতা রাজনীতি একটি জনপ্রিয় পেশা হত। রাজনীতি একটি সংগঠিত পদ্ধতি হত তবে প্রকৃতপক্ষে এটি উপাদান সম্পন্ন সম্পদ সংগ্রহের স্বপ্নের ছিল। দরপত্র, সোনা এবং স্বর্ণের মোহন্ত দাম হয়ে উঠত আর কারখানাগুলি যে প্রদত্ত উত্পাদনের জন্য বিখ্যাত হতে লাগে সে সবই ভারতীয় প্রতিবন্ধী সংস্কৃতি এবং সমাজের বরফে ডুবে পড়তো।

মধ্যযুগের অর্থনীতি

মধ্যযুগে অর্থনীতি একটি বিশাল বিষয় যা কোন এক লেখকের শব্দগুলির মাধ্যমে পূর্ণতা পাওয়া যায় না। এই কালের অর্থনীতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে আমরা সম্প্রতি অর্থনীতি বিষয়ক জ্ঞান অর্জন করতে পারি। মধ্যযুগের অর্থনীতি বিপুল পরিমাণের দানবাদ্য ও ভিন্নধর্মী ভার্থক লেনদেনের মাঝে ঘটে আসত। সেই দিনগুলোর মানুষজন বহুল ভাবে কৃষিকল্পক।

প্রতি এক নিমষে কি সেই বৃষ্টি আবহাওয়া কৃষি উন্নয়নে এটি চলে গেলে গাছ-পাখি মানুষের সমস্যার মধ্যে কমানোর জন্য তো নহে। কৃষি উন্নয়ন একটি কৌশল হল যা সমস্ত সম্প্রদায়ের শিক্ষার মাধ্যমে পশ্চিমে স্থাপিত হয়েছে। এছাড়াও, মধ্যযুগে বাস্তব অর্থনীতি ওষুধ, খাদ্য এবং পানির বিপন্নতা সম্পর্কে শিক্ষার মাধ্যমে উন্নয়ন করে। সুতরাং মধ্যযুগের অর্থনীতি একটি অসাধারণ সমস্যার মাঝে সেই উন্নয়নের উপকারিতা প্রকাশ করে।

আধুনিক অর্থনীতি

অর্থনীতি মানব সমাজের একটি প্রাচীন বিষয়। ইতিহাসের পৃষ্ঠাগুলির মাধ্যমে জানা যায়, এটি প্রথম মানবকেণ্ড্রিক সমাজে অবস্থান পেলে জন্মগ্রহণ করেছে। প্রথম সবলীল সমাজে আর্থিক লক্ষ্য হলো কিছুটা জিনিস শেষ হওয়া আর না হওয়া সাধারণ ব্যবসাসমূহ পরিচালিত করা। এরপর আর্থিক নীতির একটি সাফল্য গল্প লিখতে ইংরেজ এবং আরব সভ্যতার জন্য রূপকথার মতো এসেছে।

প্রথম আর্থিক গবেষণার পথিকৃত আরথশাস্ত্রী এডম স্মিথ ছিলেন যিনি মানব সমাজে আদর্শ বাজারের সিদ্ধান্ত দেখিয়েছিলেন। একি সময়ে অর্থনীতি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার ছিলেন? আমরা বিচার করতে পারি যে মানুষ একটি সমাজে একটি ব্যক্তিকে সংঘাতের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত করে। কিন্তু সমাজটি কেন্দ্রীয়ভূত ছিল দাবি করে? আর্থিক উন্নয়ন ও আনন্দময় জীবনযাপন এর জন্যে সমাজবদ্ধদের শারীরিক এবং মানসিক প্রযুক্তির প্রয়োজন ছিল, কিন্তু যখন সম্পদ বা সাম্প্রতিক ওপর ভিত্তি করে নি: সম্বলিত করা হয়, তখন সমাজ পুনর্বিন্যাস করা লাগে। এক্ষেত্রে, আধুনিক অর্থনীতি একটি যে প্রক্রিয়া যা স্বতন্ত্রভাবে অর্থের উৎপন্নতা, বিতর্ক এবং সংগঠন সহ আনন্দময় জীবনধারার মাধ্যমে আর্থিক উন্নয়ন এর লক্ষ্যে সমাজ পুনর্বিন্যাস ও উন্নয়ন করে।

আধুনিক অর্থনীতি একটি অনেক বিস্তৃত বিষয় যা আমাদের পরিচয়টি সীমাহীন করে দেয়। ইতিহাসটি প্রমাণ করে যে অর্থনীতি একটি প্রশাসনী বিষয় নয় বরং সামাজিক ও রাজনৈতিক বিষয় যা আমাদের সমস্ত জীবন দক্ষতা করে তুলে। “

আধুনিক অর্থনীতি ও জনক

আধুনিক অর্থনীতি একটি ব্যাপক বিষয়, যা তেমন আলোচনার জন্য যুক্তি উপস্থাপন করে, যা মৌলিকভাবে আমাদের সমাজকে পরিবর্তন করে দিচ্ছে। আর জনক হচ্ছে একজন ঘোষিত বা অপরিচিত ব্যক্তি, যে উন্নয়ন, প্রগতি এবং পরিবর্তন চালাচ্ছেন। বিভিন্ন উদাহরণ থেকে আমরা দেখতে পাচ্ছি কীভাবে জনকরাই সমাজের জন্য উন্নয়ন নির্দেশ করেছেন। একজন ধর্মীয়, রাজনৈতিক, আর্থনৈতিক বা সামাজিক নেতা অথবা একজন বিচারক সমস্যার সমাধান করতে বা একটি পরিবেশগত বা সামাজিক বিষয় সম্পর্কে কিছু নতুন বিধান বা আইন নির্মাণে প্রবন্ধ গ্রহণ করার মাধ্যমে প্রতিদিন সমস্যার সমাধান করা হয়।

আমরা শিক্ষা, খাদ্য ও স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য কয়েকজন জনকের কাজ দেখতে পারি। এই অর্থনীতির সাথে একটি পরিবেশ স্বাস্থ্য বা কর্মদক্ষতা বিকাশে কিছু পরিমাপ, তবে সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব এবং কমিটমেন্ট সঠিক সম্প্রসারণে শক্তিশালী এবং কার্যকর হলেই এর বিকাশকে নির্দিষ্ট হারে পাশে নিয়ে যেতে পারি। “

আধুনিক অর্থনীতির প্রথম বই

আধুনিক অর্থনীতির জনক মেলচিওসের প্রথম বইটি “মূল্য উন্নয়ন”। এই বইটি মূলত বাজার ও উৎস ও সবজান্তা উন্নয়নের বিভিন্ন দর্শনগুলি নিয়ে আলোচনা করে। এটি প্রথম বই যেখানে একটি নতুন ধারণা এসে পড়ে, আনন্দ কেনে। ফলে এটি আধুনিক অর্থনীতি ও উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র হিসাবে পরিচিত হয়।

বইটি মূলত মেলচিওসের বাস্তবগত উন্নয়নের উপর ভিত্তি করে লিখা হয়েছে এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী হিসাবে মানব সমাজের উন্নয়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই বইটি উদ্ভাবন করে মেলচিওস একটি প্রাণবন্তী মতামতকে প্রচার করেন যা অর্থনীতি ও উন্নয়ন সম্পর্কে নতুন ধারণা ও পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা থাকা সাধারণ ছিল। এই বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মানবিক প্রবৃত্তিকে প্রকাশ করে তার নতুন ধারণাগুলি নিয়ে মানুষকে জাগ্রত করে।

আধুনিক অর্থনীতির জনক

আধুনিক অর্থনীতির জনক কে সাধারণত বলা হয় আদম সমিতিকে। আধুনিক অর্থনীতি এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যেন একই সমস্যায় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন দেশের মধ্যে একত্রিত হতে হয়। এর প্রথম আদর্শ ছিল ইউনাইটেড নেশনস এর গঠন যার মাধ্যমে পৃথিবীর সামাজিক অর্থনীতির মানদন্ড তৈরি করা হল। আদম সমিতি কে উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি ভাই দেখা হয় যে সবার সুখ ও ভালবাসা কম থাকলেও সবার জন্য চেষ্টা করে উন্নয়নশীল একটি সমাজ করা উচিত।

এছাড়াও আদম সমিতির দিক থেকে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল বিভিন্ন ধর্ম, জাতীয়তা ও সংস্কৃতি থেকে প্রতিভাগি সামগ্রীদের মধ্যে সমঝোতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। এই সামগ্রীগুলো একতার জন্যই মানবতার সংস্কৃতি, সংস্কার ও সংস্কৃতির ধার্মিক, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক নীতিবলী তৈরি করে তুলে ধরে। সুতরাং, আধুনিক অর্থনীতি একটি মহাবিশ্ববিদ্যমান ও পরম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

জনকের পরবর্তী উন্নয়ন

বিশ্বের অর্থনীতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং পরিবর্তনশীল। এর সঙ্গে মেলে মিশে বেশীরভাগ দেশে সেরা অর্থবছর গড়ে তোলছে । আধুনিক জীবনধারার জন্য অর্থনীতির উন্নয়নে অসীম প্রয়োজন রয়েছে। একটি দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি রাষ্ট্রের জনসম্পদ বৃদ্ধি করার জন্য একটি সমর্থনশীল এবং দক্ষ অর্থনীতিক পরিকল্পনার প্রয়োজন।

রাষ্ট্রের অর্থনীতি উন্নয়নে জনক একটি মানদণ্ড। এর মাধ্যমে জনকের পরবর্তী উন্নয়ন সম্ভব হয়। জনকের জীবন উন্নয়নের জন্য আধুনিক অর্থনীতি অবশ্যই প্রয়োজন। নববর্ষের আগে জনক তাদের শিক্ষার্থীদের উন্নয়ন করতে পারেন।

শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিভার উন্নয়ন করে পরের প্রজন্মের জন্য উপকারপ্রাপ্ত হতে পারেন। এছাড়াও, জনক আর্থিক দক্ষতা উন্নয়ন করে রাষ্ট্রের বাণিজ্য এবং প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের সাহায্য করে সৃষ্টি করতে পারেন। আধুনিক অর্থনীতি একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুসরণ করে রাষ্ট্রগুলির উন্নয়ন ও জনসম্পদ বৃদ্ধি করতে পারে। জনক যেখানে সাধারণ জনমানুষকে উন্নয়ন করতে পারে সেখানে দেশও উন্নত হতে থাকে।

Leave a Comment