মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমের বিভিন্ন প্রজন্ম

মোবাইল টেলিফোন বিশ্বের প্রায় সকল দেশে বিস্তারিত ব্যবহার করা হয়। এতে পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রকারের সিস্টেম। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হল স্মার্টফোন। স্মার্টফোন দিয়ে মাত্র কথা বলার বিরুদ্ধে এখন পুরো বিশ্ব একমত যে এর সাথে আরও কিছুটা করা যায়।

এছাড়াও আছে বেসিক ফিচার ফোন, যা কথা বলে টেকসটিং করার বাইরে আর অনেক কিছু করা যায় না। আর কথা বলার মধ্যেই আছে ভিডিও কল এবং স্কাইপ মোবাইল সিস্টেম এর মাধ্যমে মুখস্থ সাথে কথা বলার সুযোগও পাওয়া যায়। আর এক কথা বলতে যদি না চাই তাহলে হাতের চিহ্ন দিয়ে আলোচনা হলে অন্য পক্ষ সাথে বুঝতে পারবে।

বার্তা সম্প্রসারণের প্রাথমিক প্রজন্ম

বার্তা সম্প্রসারণের প্রাথমিক প্রজন্ম হল মানুষের জায়গাভিন্নভাবে নিজ নিজ অভিজ্ঞতা হাজার হাজার মানুষের সাথে শেয়ার করা। সমস্ত মানুষের গুরুত্বপূর্ণ কাজ অবসর আছে যখন তারা নিজেদের সমস্যার সমাধান পেতে চায়। প্রায় সকলকেই তাদের সমস্যা এবং দুঃখ ভাগ করার দরকার হয়। তারা নিজেদের নিজস্ব মাধ্যমে দুঃখ ভাগ করতে পারেন বা তাদের মনের অবস্থার সম্পর্কে বিভিন্ন নিউজ পোর্টালে শেয়ার করে ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে।

এটি একটি সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া যা এক সংখ্যার নিউজ ডিস্ট্রিবিউটর এর মাধ্যমে সম্ভব হয়।

প্রাথমিক বার্তা সম্প্রসারণ পদ্ধতির সময়

বার্তা সম্প্রসারণের প্রাথমিক প্রজন্ম হলো মানুষের কথাবার্তার মাধ্যমে তথ্য প্রচারের পদ্ধতি। প্রাচীনকালে বার্তা সম্প্রসারণের মাধ্যম হতো মুখে মুখে বা গ্রন্থে লেখাপড়ি এবং পত্র ও ফুটনোট ব্যবহার করে এই কাজ করা হতো। কিন্তু এই পদ্ধতির পরিধি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সীমিত ছিল। কেবল অন্য কিছু মাধ্যম ছিল না তার বিকল্প।

পরে বর্ণমালা, অক্ষর এবং কম্পিউটার হতে এ বিকল্প পালন করা হলো। এবং তার ফলস্বরূপ আজ আমরা ভিন্ন ভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো জিজ্ঞাসা ও তথ্য উপাত্ত করতে পারি। আর বর্তমানে বার্তা সম্প্রসারণের পদ্ধতি এতটা উন্নত হয়েছে যে আমরা সরাসরি ভিডিও কল ও লাইভ স্ট্রিমিং জমা দেখতে পারি। এত বিস্তারিত কি বার্তা সম্প্রসারণ পদ্ধতি উন্নয়ন করেছে সেটা উপসাগর করা অসম্ভব।

প্রাথমিক বার্তা সম্প্রসারণ পদ্ধতির উন্নয়ন

বার্তা সম্প্রসারণ একটি মূল যুক্তি যা সম্প্রসারণ পদ্ধতির একটি প্রাথমিক প্রজন্ম। আমরা সবাই একটি বড় খবর দেখলে তা কেমন সম্প্রসারিত হয় সেটি দেখতে পারি। ব্যক্তি ব্যক্তির মাধ্যমে বার্তা সম্প্রসারণ করা হয়ে থাকে। কিন্তু এই পদ্ধতির সর্বসাধারণ ব্যবহারকারী ব্যক্তিদের জন্য এটি কার্যকরী না হয়ে থাকে।

এখন প্রযুক্তির সময়ে বার্তা সম্প্রসারণে প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা সম্প্রসারিত করতে পারি বিশাল সংখ্যক ভাগ্যবান ব্যক্তিদের সাথে। এই পদ্ধতিটি হল নেটওয়ার্কিং যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সম্প্রসারণ করে। মানুষ ও সংস্কৃতি অবলম্বন করে এটি নির্ভর করে তবে প্রযুক্তির ও এই প্রসঙ্গে গুরুত্ব বেশি।

আমরা প্রযুক্তির উন্নয়ন করে এই বার্তা সম্প্রসারণের পদ্ধতিকে আরও কার্যকরী করতে পারি।

প্রাথমিক বার্তা সম্প্রসারণ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য

বার্তা সম্প্রসারণের প্রাথমিক প্রজন্ম আমাদের একটি পারদর্শি দেয় কিভাবে মানব সম্প্রসারণকে উন্নয়ন করে এবং এর বৈশিষ্ট্য কী এমন বিষয়গুলি কেন গুরুত্বপূর্ণ। প্রাথমিকভাবে, বার্তা সম্প্রসারণের উৎস হল মানব কথার প্রবাহ এবং এটি একটি বিস্তৃত পরিবেশে ঘটতে পারে। একটি উদাহরণ হল ফেসবুক এবং টুইটার এই ধরনের স্বাধীনভাবে ওয়েব ভিত্তিক সেবা দেয়। দ্বিতীয়ভাবে, বার্তা সম্প্রসারণকে স্তম্ভ পদ্ধতি হিসাবে পরিচিত হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ ম্যাগাজিন একটি স্থিতান্তর স্তম্ভ পদ্ধতিতে প্রকাশ পাওয়া হয়। বার্তা সম্প্রসারণ এর বৈশিষ্ট্য হল একটি অটুট প্রবাহ যা প্রচুরভাবে চলে যায় এবং আসলে, এর বিষয়গুলি চলমান হয়না, তারাও নিয়মিত ভিন্নভাবে পরিবর্তন হয়ে থাকে।

সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম

সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম আসলে একটি টেকনোলজি যা হালকা পদ্ধতিতে আপনার অংশগ্রহণ করে একটি বেশ সম্ভবত কম ব্যবহারকৃত বাক্স থেকে অতিক্রম করে এসেছে। সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন প্রথম জেনারেশনের মোবাইল ফোন সিস্টেমের একটি উন্নয়ন, যা বিশেষভাবে শব্দের রূপান্তর এবং সংকেতের জন্য আনুষ্কানের উপর ভিত্তি করে। এই টেলিফোন সিস্টেম একটি প্রধান উন্নয়ন হিসাবে একটি ডিজিটাল রিসোর্স ব্যবহার করে এবং শব্দের সংকেত রূপান্তরে ডিজিটাল রূপান্তর পদ্ধতি ব্যবহার করে। ঐতিহাসিকভাবে, প্রথম জেনারেশনের মোবাইল সিস্টেম শুধুমাত্র স্থায়ী সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হতো, যার জন্য একজন ব্যবহারকারী একবারে কথা বলতে পারতেন।

সেকেন্ড জেনারেশনে, একজন ব্যবহারকারী একক সময়ে একাধিক শব্দ বলতে পারে এবং সে সময়কালে সে না বলা অক্ষরগুলি ক্যাচ করতে পারে যেখানে ডিজিটাল রূপান্তর ব্যবহৃত হয়। এই টেকনোলজি একটি আদর্শ উন্নয়ন ছিল এবং আজকাল এটি পরিবার ও ব্যবসায়িক উদ্যোগের জন্য সবচেয়ে প্রভাবশালী সিস্টেম হিসাবে চিহ্নিত হয়।

এএমএস এবং এএমএস-এসএমএস পদ্ধতির উন্নয়ন এবং বৈশিষ্ট্য

সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম আমাদের এলাকার মোবাইল যুগের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন। এই সিস্টেম সাধারণত এএমএস এবং এএমএস-এসএমএস পদ্ধতিতে বিভাজিত থাকে। এএমএস (এডভান্সড মোবাইল সেবা) আর এএসএমএস (এডভান্সড সিঙ্গেল সোর্স মাল্টিপল সেবা) হলো সেকেন্ড জেনারেশন টেকনোলজির দুই প্রধান ফর্ম। এএমএসটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে কারণ সেটি বিভিন্ন সরঞ্জামে সমর্থিত এবং স্বচ্ছ যোগাযোগের জন্য সুবিধাজনক।

একটি ব্যবহারকারী এএমএস এবং এএসএমএস পদ্ধতি ব্যবহার করে আসলে সে শুধু টেক্সট মেসেজ পাঠাতে পারে না, বরং ছবি, ভিডিও, মিউজিক ইত্যাদি শেয়ার করতে পারে যা আরও সুবিধাজনক হয়। সেকেন্ড জেনারেশন টেকনোলজির এই উন্নয়ন আমাদের সমাজে কমপক্ষে দুই ভাগে আলোচিত হয়েছে – একাংশে এর ব্যবহার অনেকটা নিরাপদ নয় সেকারণে নিরাপদতা সম্পর্কে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।”

সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমের প্রযুক্তি এবং কার্যকারিতা

সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমের উদ্ভবতা হলো ১৯৮০ সালে। এই সিস্টেমে প্রথমবারের মতো কনভেনশনাল ও স্যাটেলাইট যেকোন দুটি কারণে ব্যবহৃত হয়। প্রথম জেনারেশনের সিস্টেম জন্য ব্যবহৃত প্রতিদিন ৪৪জি বেন্ডওয়্থ আর সেখান থেকে দ্বিতীয় জেনারেশনে এটি বৃদ্ধি পায় ১৮৮ কিলোহার্টথো। সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে কমপক্ষেই দুইটি মেইন কম্পোনেন্ট ব্যবহৃত হয়।

প্রথমত, Base Station Subsystem এবং দ্বিতীয়ত, Switching System। এই দুটি সিস্টেম আলাদা আলাদা কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। আধুনিক সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে থাকা বেসস্টেশনগুলো অনলাইনে থাকে এবং এগুলোর মাধ্যমে উপস্থিতির জন্য একটি সিস্টেম স্থাপন করা হয় যা কল হ্যান্ডওভার ও বেসস্টেশন কল জেনারেট করতে পারে। এছাড়াও, এই সিস্টেমে টেক্সট মেসেজ ও ডেটা ট্রান্সফারিং দুটি কাজেও ব্যবহৃত হয়।

সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমের মাধ্যমে সমস্ত বিভিন্ন রকমের কল হ্যান্ডল করা যায়।

থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম

থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম হল এমটিএস (MTS) যেখানে GSM ও CDMA এই দুটি সিস্টেমের সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করা হয়। আধুনিক মোবাইল টেলিফোন সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। মেট্রপলিটান এলাকায় এই সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, যেখানে কল রিসিভ এবং কল সেন্ট এর মধ্যে ভার্তি হতে দওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম পরের দিকে আরও উন্নত ও ত্রাণ সম্পন্ন হতে চলেছে।

এটি একটি দ্রুতগতি সিস্টেম, সাথে একটি শক্তিশালী সিকিউরিটি সিস্টেম রয়েছে। এই সিস্টেম দিয়ে কথা বলা হয় শুধুমাত্র ভয়ংকর গুরুত্বপূর্ণ কাজের উদ্দেশ্যে। সুতরাং, এই সিস্টেমটি ব্যবহার করার সাথে লাভবান হওয়া সম্ভব।

তৃতীয় জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমের পরিচিতি এবং উন্নয়ন

এ চলমান সময়ে, মোবাইল ফোনের উন্নয়ন ঘটেছে একটি নতুন স্তরে। প্রথম জেনারেশন মোবাইল, যা মুখোমুখি থাকতে পারত তেলিফোন লাইন ব্যবহার করে সাধারণত ১সেন্ট কথার জন্য, দ্বিতীয় জেনারেশন মোবাইল যা GSM বা CDMA প্রযুক্তিতে ভিত্তি করে ছিল, এবং তৃতীয় জেনারেশন এটিএস-2000 প্রযুক্তিতে ভিত্তি করে ছিল। এটি সরল এবং দ্রুত। তারা উবের অধিকাংশ মোবাইল যুগে রাজস্ব উৎপাদন করে।

এটি আস্থা দেয় তাদের ব্যবহারকারীদের পরিচিতি এবং পুরোপুরি ব্যবহারের সুবিধা বিশ্বাস করা হয়। তৃতীয় জেনারেশন মোবাইল ফোন প্রায়শই হাই-এন্ট ফোন হতে পারে, কিন্তু এটি মূলত প্রফেশনাল ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা টেকনোলজির উন্নয়নে নিশ্চিত ভূমিকা পালন করে। তাই এটি বাস্তব জীবনের কথা আর কোনো কথার আলোকে নেয়া যায় না।

উচ্চগতি প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধাসমূহ এবং বৈশিষ্ট্য

থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম বিশ্বের উচ্চগতি প্রযুক্তির একটি উদাহরণ। এই প্রযুক্তিটি আজকের চলমান সামাজিক পরিবেশে দরকারি এবং অপরিহার্য। এই সিস্টেমটি আগের প্রযুক্তি গুলোর চেয়ে নিখরচা ও দক্ষতা সম্পন্ন। দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ এবং দ্রুত ডাটা ট্রান্সমিশনের কারণে লাইন যোগান করা হয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারী উচ্চগতি ইন্টারনেট ব্রাউজিং, অনলাইন ভিডিও স্ট্রীমিং এবং ওয়ার্ল্ডওয়াইড ওয়েবের বিভিন্ন ব্যবহার সম্পন্ন করতে পারেন।

সেটা না হলে হাতিরকে হাতীর মত দেখে গুরুত্বপূর্ণ অর্থ হারানো হতো। এই প্রযুক্তির সাথে ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও মোবাইল গেম খেলা করার সুবিধা থাকে যা জীবনের ব্যাপারের একটি সুখকর অংশ। সাথে সাথে এই সিস্টেমটি বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলি ব্যবহার এবং উন্নয়নের ক্ষেত্রে সাহায্য করে এবং নতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার ও উদ্ভাবনে অবদান রাখে।

থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমের কার্যকারিতা এবং ব্যবহার

থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম ব্যবহার করে আমরা একটি দ্বিদিকে সংহত মাধ্যমে কথা বলতে পারি। তবে এটি কেবল কথোপকথন নয়, এর মাধ্যমে আমরা সবচেয়ে দ্রুত ডেটা এবং মুদ্রণীয় তথ্য প্রেরণ করতে পারি। এছাড়াও, এর মাধ্যমে আমরা ভিডিও কনফারেন্স এ অংশগ্রহণ করতে পারি এবং লাইভ টিভি দেখতে পারি। এই তথ্যের রিয়েল টাইম প্রেরণ আমাদের ব্যবসায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় যা আমরা অন্যতম ব্যবহার করি।

সেক্ষেত্রে, থার্ড জেনারেশন মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা এই পদক্ষেপটি ব্যবহার করে অত্যন্ত দ্রুত এবং স্বচ্ছ যোগাযোগ সৃষ্টি করতে পারি।

Leave a Comment