মোবাইল ফোনের প্রজন্ম কাকে বলে? বিভিন্ন প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য কি কি?

মোবাইল ফোন হল এমন একটি বিষয়বস্তু যা আজ প্রতিদিন আমরা সাথে রাখি। যেহেতু মোবাইল ফোনের প্রজন্ম বিভিন্ন আছে, তাই এগুলোর বৈশিষ্ট্যও ভিন্ন ভিন্ন। স্মার্টফোন, মাল্টিমিডিয়া ফোন, কিশোর ফোন, বেসিক ফোন ইত্যাদি ফোন থাকতে পারে। স্মার্টফোনগুলো এমন একটি ফোন যার মাধ্যমে আমরা ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারি এবং টিভি, গেম খেলা করতে পারি।

আবার মাল্টিমিডিয়া ফোনগুলো বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়, যার মাধ্যমে আমরা ভিডিও, ফটো শেয়ার করতে পারি। কিশোর ফোন হল এমন একটি ফোন যা আমাদের পিতামাতার জন্য নির্বাচন করে দেওয়া হয়। আর বেসিক ফোনগুলো হল সবচেয়ে সাধারণ ফোন যা কেবলমাত্র কল এবং এসএমএস এর জন্য ব্যবহৃত হয়। তাদের জন্য ব্যবহার ও সংরক্ষণ সহজ এবং দামও খুবই কম।

অল্প বাজারে কেনাকাটা করতে চাইলে এই ধরনের ফোনগুলো খুবই কাজে লাগে।

সেল ফোন প্রজন্ম ভিন্নতা

সেল ফোন একটি সাধারণ লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করা একটি পণ্য। কিন্তু অতি বিস্ময়কর প্রতিফল হচ্ছে এটি নির্দিষ্ট প্রজন্মের লোকের মধ্যে বিভিন্নতার সৃষ্টি করে দিতে পারে। সেল ফোন উৎসর্গ করে দেখা যায় যে এটির আকার, সাইজ, রঙ এবং নকশা বিভিন্নতার জন্য অদ্যাপিত থাকে। আবার এটি একই প্রজন্মের ব্যক্তি মাঝেও বিভিন্নতা সৃষ্টি করে।

উদাহরণস্বরূপ, একজন শিশু তার ভাইয়ের সেল ফোনটি ব্যবহার করে গেম খেলে থাকতে পারে। আর তার বাবা সেই সেল ফোনটি ব্যবহার করে কাজ করতে পারে। এক্ষেত্রে সেল ফোন ভিন্নতার একটি উদাহরণ যা দর্শনীয়ভাবে বর্ণিত করে নেওয়া যায়।

স্মার্টফোন এর বৈশিষ্ট্য

সেল ফোন এবং স্মার্টফোন এই দুটি প্রজন্ম ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্য রাখে। সেল ফোন একটি ধরনের নথিপত্র থাকার চেয়ে স্মার্টফোন বর্তমানে একটি ভারসাম্য বজায় রাখছে। সেল ফোন মূলত কথা বলার জন্য ব্যবহার করা হয় নতুন ফিচারগুলো আন্তর্জাতিক কথাবার্তা সংকলন করার জন্য বহু সুবিধা রয়েছে। একটি স্মার্টফোন নতুন তথ্যের উঁচুতা রাখে যা শক্তিশালী প্রোসেসার তথা যুক্তিসহ সহজে প্রকাশ করে।

সে নতুন এবং বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে সব ধরনের ফাংশন তৈরি হয় গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস ব্যবহার করে এবং আপনি খুব সহজে এটি ব্যবহার করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট অ্যাপগুলি যাতে সবসময় এক্সিউট হতে না হয় এটি বিষয়টি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সেলফোন এ সবসময় একটি সিঙ্গল সেন্টার থেকে চলতে থাকে আবিষ্কারগুলো। স্মার্টফোন তবে একটি অ্যারে গুনতে পারে এবং একটি বিশাল কার্যকারিতা সম্পন্ন ব্যবহারকারীর জন্য ব্যবহারকারীর জন্য টেকনোলজির সমস্ত সীমা অতিক্রম করতে পারে।

এটি আপনাকে আপনার দৈনন্দিন জীবন সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।

কিপ্যাড ফোন এর বৈশিষ্ট্য

সেল ফোন বিভিন্ন সাইজ, শেপ এবং ফিচার সহ উপলব্ধ। মডার্ন দিনের সেল ফোনগুলি চালানোর জন্য টাচ স্ক্রিন, কেমেরা, আইফোন, সামসাং ফেসআইড ও বিষয়ভিত্তিক হেডফোন স্পিকার দেওয়া হয়। কিন্তু কিপ্যাড ফোনের বৈশিষ্ট্য সামান্য পরিবর্তন হয়ে চলেছে। এই ফোনগুলি কেবলমাত্র কিপ্যাড স্ক্রিন দেওয়া হয়, ফিজিকাল কীবোর্ড দেওয়া হয় যার মাধ্যমে চলাচল অতিক্রম হয়।

কিপ্যাড ফোনে টাইপিং করা সহজ এবং দক্ষতার দিক থেকে বর্তমান এরা দেখা যায় এমন নেটসেট প্রস্তুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কিপ্যাড ফোন একটি ব্যবহারিক ডিভাইস হিসাবে প্রচলিত। উচ্চতর ব্যবহারকারীরা একই সময়ে এটি দ্বারা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করতে পারেন, যেমন একটি সিংগেল ফোন চাহিদা, ওয়েব ব্রাউজিং, ই-মেইল ও টেক্সটিং। এর মাধ্যমে সকলেরই সুবিধা সুন্দরভাবে বিন্যাস করা হয়েছে।

ফিচার ফোন এর বৈশিষ্ট্য

ফিচার ফোন একটি পোকেট ফ্রেন্ডলি ডিভাইস, এটি উচ্চ কণিত সম্পদ ফোন থেকে বেশি দাম ছাড়া উপভোগ্য ও আরামদায়ক। সেল ফোন এর ছাড়া, যার মাধ্যমে আপনি ফোন করার ফাংশন সম্পন্ন করতে পারবেন না। স্মার্টফোন এর মত একটি ফিচার ফোন অধিকাংশই ফোন করা, টেক্সটিং, রেডিও শুনা, ক্যামেরা ও অন্যান্য উপকরণে সীমিত। তবে এর ভিন্নতা সেই ক্ষেত্রে রয়েছে যে এটি ব্যবহারকারীদের পছন্দ হয়ে থাকে যারা নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে কথা বলতে চায় এবং সময় নিয়ে গেম খেলতে ইচ্ছুক।

আপনি স্মার্টফোনের বেশি ব্যাঘাতের ঝুঁকিতে না পড়ে ফিচার ফোন ব্যবহার করে সাধারণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি উপকারী উপাদান।

জেনে নিন আপনার ফোনের প্রজন্ম

আপনার ফোনের প্রজন্ম জানা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই তথ্য জানলে আপনি আপনার ফোনের ক্ষমতা এবং উপযোগিতা সম্পর্কে বেশি কিছু জানতে পারেন। ফোনের জাতি সম্পর্কে জেনে নিবেন যে আপনার ফোন স্মার্টফোন বা বাড়ি ফোন। বাজেট স্মার্টফোনে আমাদের দেশে বিদ্যমান হয়ে থাকে তোমারী স্মার্টফোন জাতির মধ্যে জানতে হবে সেটি কীভাবে কাজ করে।

বাজেট ফোন হল দ্রুত কাজ করে সকল পূর্ণাঙ্গ ফোন চেয়েও অধিক। আপনার নির্বাচন মূলত আপনার বাজেটের উপর নির্ভর করবে। এছাড়াও ফোনের প্রজন্ম জানতে হলে ফোন এর বিভিন্ন স্পেসিফিকেশন এবং প্রসঙ্গ সামগ্রী নিয়ে উপক্রম নিতে হবে।

গ্রাফিক প্রসেসর

একটি উপকরণ যা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে ফোনে থাকে হলো গ্রাফিক প্রসেসর। আমরা ঝামেলায় হয়ে যাই সময়ে ফোনের কাজ চলাকালীন অবস্থায়, সেটা আমাদের ফোনের প্রজন্ম অনুযায়ী আরামদায়ক ও দ্রুত করে ফেলে আসে। একটি ভিডিও দেখতে বা একটি গেম খেলতে অবশ্যই একটি ভাল গ্রাফিক কার্ড এর প্রয়োজন হয়। আমাদের ফোনের জন্য গ্রাফিক প্রসেসর হলো একটি মেধার পরীক্ষা, যা আমাদের ফোনের জন্য মেমরি, কার্যক্ষমতা এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করে।

এটি আমাদের দরকারি সকল গবেষণা এবং নির্বাচনে ভাল লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনার ফোনে কোন জেনেরেশনের হতে পারে এর ভিন্ন ভিন্ন প্রজন্ম যা নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তাই সচেতন হয়ে থাকুন এবং আপনার ফোনের প্রজন্ম সম্পর্কে জানুন।

অপারেটিং সিস্টেম

সম্পর্কে বলতে গেলে, এটি ব্যবহারকারীকে নিয়ন্ত্রণ দেওয়া একটি সফটওয়্যার হতে পারে। যে কোনও ডিভাইসের জন্যই প্রয়োজনীয় এই সিস্টেমটি উপস্থাপন করে। মোবাইল ফোনগুলিতে যেমন Android, iOS, এবং Windows Operating System ব্যবহৃত হয় তেমনি কম্পিউটার ও অন্যান্য সমস্ত ডিভাইসের জন্যই অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয়। মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে, এই সিস্টেমগুলি ব্যবহারকারীকে ডাটা পরিচালনা এবং বিভিন্ন সুযোগ প্রদান করে।

এছাড়াও এগুলি অ্যাপস ডাউনলোড এবং ইনস্টল করার জন্য এর সাথে সাথে একটি প্ল্যাটফর্ম প্রস্তুত করে। সবশেষে, জেনে নেওয়া যাক আপনার ফোনে কোনটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার হয় এবং তা আপনার ফোনের কাজে কি ভূমিকা পালন করে।

সিপিয়ু এর ধরণ

ফোন ব্যবহার করতে সমস্তের আগে আমরা জানতে চাই এটি কোন প্রকারের সিপিয়ু দিয়ে নির্মিত। এটি বিভিন্ন প্রকারের সিপিয়ু দিয়ে নির্মিত হতে পারে, নোকিয়া এবং স্যামসাং স্মার্টফোন আমন্ত্রিত উল্লেখযোগ্য সিপিয়ু নির্বাচন করে। সিপিয়ু হচ্ছে ফোনের মালিকানার সাথে সংযুক্ত একটি প্রকৃতি, যা একটি সিপিয়ু অথবা সিস্টেম-এন-চিপ নামে পরিচিত। এটি ফোনের বিভিন্ন কাজ করার জন্য দায়ী হতে পারে, যেমন ফোন কল, ইন্টারনেট ইউজ এবং অন্যান্য ফাংশন।

এ প্রকার সিপিয়ু-এর ধরণগুলো আপনার ফোনের মধ্যে উপস্থিত থাকা সম্ভব। আপনি একটি ফোন কিনলে সিপিয়ু এর ধরণটি ভালভাবে চিন্তা করতে পারেন এবং সেটিকে নির্বাচন করতে পারেন আপনার প্রয়োজন মত এবং বাজেট অনুযায়ী।

ব্যাটারি

ফোন ব্যবহার করতে খুব সহজ, তবে আমরা আমাদের ফোনের ব্যাটারি এর বিষয়ে বেশি কথা না বলে উপভোগ করি। কিন্তু একজন জানতে চাইলে তাকে বলতে হবে আপনার ফোনের ব্যাটারির প্রজন্ম কি। ফোনের ব্যাটারি মূলত তিনটি প্রকার হয়ে থাকে – লিথিয়াম আয়ন, নিকেল ক্যাডমিয়াম ও নিকেল মেটাল হাইড্রাইড। ব্যাটারি পদ্ধতি পৃথিবী উপস্থিত উপাদানের ভিত্তিতে নির্ভর করে।

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যাটারি হিসাবে পরিচিত। এটি ব্যাটারির জন্য আরও কম জায়গা নেয় এবং আধুনিক ফোনগুলিতে খুবই কাজে লাগে। ভালো একটা ব্যাটারি দিয়ে স্মার্টফোন লংস্ট্যান্ডিং ব্যবহার করা যায় যেটা আবশ্যিকভাবে চাহিদামত হল। তবে ফোনের ব্যাটারি বেশি দেরি করে খরচ হয়।

তাই আপনার ব্যাটারি সঠিকভাবে দেখার দরকার রয়েছে।”

Leave a Comment