রেডিও (Radio) কি? রেডিও কীভাবে কাজ করে?

রেডিও হল একটি সংগীত এবং সংবাদ বার্তা সম্প্রসারণ সম্প্রদায় যা বিভিন্ন স্থানের লোকজনের উপলব্ধি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি সীমিত দূর পৃথিবীর নির্মাণ সাধন দ্বারা বার্তা এবং সংগীতের কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করে। একজন রেডিও সম্পাদকের পাশাপাশি একজন রেডিও রিপোর্টার, বার্তা পাঠক, সম্পাদক, পরিচালক এবং অন্যান্য মানুষদের ভালবাসা ও আগ্রহ থাকে। রেডিও সম্প্রসারণের প্রণালী দ্বারা বার্তা সম্প্রসারণ হয় যেমন দুটি জন রেডিও স্টেশন থেকে।

এখান থেকে প্রাপ্ত সংবাদ ও প্রাসারিত সংগীতের হার হল শুনানীর উপাদান এবং সর্বশেষ খবর ও সংবাদ সহ আরও অনেক বিভিন্ন ধরনের বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। কোন একটি রেডিও স্টেশনে একটি রেডিও ট্রান্সমিটার ব্যবহৃত হয় যা গ্রাহকদের কাছে শুনানীর উপাদান সরবরাহ করে। এই ট্রান্সমিটার ও রেডিও সম্পাদক দ্বারা পরিচালিত মেটাডাটা দ্বারা কন্ট্রোল করা হয়। পরিণত, একটি রেডিও সিগন্যাল উচ্চ সম্পৃক্তি এবং পৌঁছানোয় নির্ভর করে সেই কেটেগরি নির্ভর করে যার জন্য তা ব্যবহার করা হয়।

রেডিওগুলি কি?

রেডিওগুলি বাস্তবে একটি প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে সংগীত, খবর, কথা ও অন্যান্য কার্যক্রম সামগ্রী সহজে শোনা যায়। এই প্রযুক্তিটি স্থানীয় সংক্ষিপ্ত রাজস্থান বিনিময় কেন্দ্র (भारत संचार निगम लिमिटেড)। রেডিও গুলির উন্নয়নের সাথে সংগীত এবং টেকনোলজির মিশেল শেষপর্যন্ত ঘটতে যাচ্ছে। এটি আপনাকে গ্রাম্য অঞ্চলে বা একটি সার্বজনীন স্থানে থাকা সংবাদপত্র অথবা টেলিভিশন সংবাদ হালনাগাদ থেকে আপডেট রাখতে সহায়তা করবে।

এছাড়াও এটি আপনাকে মিছিল এবং পৌরাণিক স্থানাংক, বন ও জঙ্গলে ফেরত দিয়ে স্থানীয় ন্যাটিভ জমি ও ভূমি এখন কি তৈরি হচ্ছে তা জানতে সহায়তা করবে। সর্বশেষ, রেডিওগুলি সেই জায়গাতে সেরা সঙ্গীত সম্প্রচার করে যাতে আপনি যথাযথ অবস্থান থেকে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারেন।

রেডিও ব্যবহারের ইতিহাস

আজকাল রেডিও অনেক পরিচিত এবং ব্যবহৃত একটি উপকরণ। কিন্তু এই রেডিও যেতে প্রারম্ভ হয় এর মূল ইতিহাস অনেক মনস্থির জন্য। ১৯৭০ এর দাশকের আগে, রেডিও একটি বড় ঐতিহ্য সম্পন্ন উপকরণ হতো। শুরুতে রেডিও কেবল একটি উপকরণ ছিল যা শুধুমাত্র আধুনিক রেডিও রিসিভার এর সাথে যুক্ত করে ব্যবহার করা হতো।

রেডিও এর সুবিধা শুধুমাত্র অপরিসীম বেতার মোবাইল অথবা টেলিফোন দ্বারা বাজায় যাওয়া মিউজিক অথবা কথাই নয়। দুটি রেডিও সংগ্রহ করে আলট্রাহেটিম ও সুপারহেট হিসেবে পরিচিত ছিল। অল্ট্রাহেটিম রেডিও হল সরাসরি ফ্রিকোয়েন্সীতে সংগ্রহ করা মিউজিক বাজানো একটি উপকরণ, আর সুপারহেট হল সাধারণ এএম ব্যবহার করে চিত্রণ করা মিউজিক সরঞ্জাম এর পর্যায়ে একটি নাম। মনে রাখা যায় যে, এই প্রচলিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার হওয়ার আগে, মানুষ রেডিও সংগ্রহ করে সবচেয়ে প্রাচীন রোহঙ্গিয়া কার্টিজ ব্যবহার করে ছিল।

এই উপকরণ মার্কিন পর্যায়ে ১৯২০ এ তৈরি হয় এবং এই টেকনোলজি আজও ব্যবহৃত হচ্ছে।

রেডিও ও টেলিভিশনের পার্থক্য

টেলিভিশন এবং রেডিও এখন আমাদের জীবনের একটি অভিনব অংশ। এখন প্রায় সবগুলো বাস্তবায়িত ও অলৌকিক ঘটনা টেলিভিশনে দেখা যায় এবং বিরাট সংখ্যক লোক রেডিও শুনতে থাকেন। টেলিভিশন ও রেডিও দুটি বিভিন্ন সাধনা দিচ্ছে এর উপকারিতা গুলোর। প্রথম কথা টেলিভিশনের উপকারিতা গুলো নিয়ে কথা বলা যাক।

টেলিভিশন দিয়ে আমরা অনেক শিক্ষাগত প্রবাহমান তথ্য পেতে পারি। সংবাদ, বিশেষ গণ্য করে রাখা হয় টেলিভিশন নিউজ ও কোন উপকারিতা জানানো যায় এবং নানা স্পেশাল প্রোগ্রাম সরাসরি দেখতে পারি। আমরা টেলিভিশন দেখে নানা জাতরাত্রি মানতে পারি এবং আমরা সম্পূর্ণ সৃজনশীল কিছু বানতে পারি। এখন কথা হচ্ছে রেডিওর উপকারিতা গুলো নিয়ে।

রেডিও দিয়ে আমরা পাচ্ছি বিভিন্ন ধরণের শিখন, খেলা ও সংবাদ। রেডিওর উপকারিতা হচ্ছে যে কোন সময় শুনতে ফেললেই বুঝতে পারি কী ঘটছে সব পরিস্থিতি। ব্যাপক কেবল টিভি পর্যন্ত না, কিছুটা ছোট এলাকার লোকরাও স্থানীয় ইভেন্ট, খেলা ও প্রচারণা শুনতে পারে। আর মহান একটি বিষয় হচ্ছে শুধু শুনতে হবে, দেখার প্রয়োজন নাই।

সর্বমোটে, টেলিভিশন আর রেডিও দুটি বিভিন্ন সাধনার সাথে আমাদের জীবনের বিভিন্ন উত্সাহজনক ঘটনা বাড়ানোর সাথে-সাথে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং সুখ বাড়ানোর উপকারিতা পাচ্ছি। এখন আমরা জানি রেডিও ও টেলিভিশনের পার্থক্য নিয়ে।

রেডিও পরিচিতি

রেডিও আমাদের জীবনের অধিকাংশ সময়কে উপস্থাপন করে। ওয়াক, ওয়াক শো, গানসংগীতসহ আরো অনেক কিছু শুনতে পারি রেডিও থেকে। আসলে রেডিও প্রথম আবিষ্কৃতি এবং একটি মাধ্যম ছিল যাতে কোনও ছবি না দেখতে হয়ে শুনতে হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে রেডিওও উন্নয়ন করে আসে।

এখন রেডিও সাথে সাথে ছবি ও অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। বিশেষ করে ফটোর সমস্যার কারণে ব্যস্ত লাইফস্টাইল ব্যতীত ঘরে বসে থাকা মানুষের জন্য রেডিও একটি উপযুক্ত মাধ্যম। সাম্প্রতিক সময়ে রেডিও হাতের মুঠোয় নামার সুযোগ দিয়ে দিয়েছে রাডিও অ্যাপ এবং অনলাইন রেডিও সেবা দেওয়ার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে পৌছে দিচ্ছে সবার কাছে।

রেডিও সম্পর্কিত প্রযুক্তি

কথা হল রেডিও সম্পর্কিত প্রযুক্তির উপর। রেডিও কে সম্পর্কিত একটি উদাহরণ দিয়ে শুরু করা যাক। শুধু কেউ চাইলে পছন্দ মতো সঙ্গীত শোনতে পারেন হাজার হাজার রেডিও স্টেশন থেকে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট থেকে এগুলো শোনা যায়।

আবার আমরা যখন জানতে চাই যে দেশে কি ঘটছে আমরা খবর শুনি। মাত্র এক বোতল জাদুর মতো কিছু দিয়ে রেডিও অধ্যক্ষ বলে নিজে সাক্ষাৎ করছেন। রেডিওতে সকল সময় চলতে থাকা সঙ্গীত, কথার অংশ থেকে ছাড়া রেডিও তথ্য ও বিনোদনের ক্ষেত্রে দূরদর্শনের চেয়ে অনেক ভালো ফলাফল দেখা যায়। এছাড়াও, লেখাপড়া ও বিষয় বিশেষত্ব যেমন কোনও রেডিও প্রোগ্রামে উপস্থিত রচয়িতা এবং স্পেশাল অতিথির সাথে আলোচনা করে দেখা যায়।

আদ্যতানিক সময়ে রেডিও সম্পর্কিত প্রযুক্তি চলছে এগুলো বেশ কিছু নতুন ক্ষেত্রও উন্নয়নের সুযোগ দিয়ে থাকে।

রেডিও চ্যানেল সংখ্যা ও নামকরণ

রেডিও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম যা সমস্ত সময় রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনার নিউজ ফ্ল্যাশগুলি প্রচার করে। এটি আমাদের যাবতীয় জীবনধারায় গভীর অনুশীলন, খেলার সংবাদ, সহিংসতার ও আন্তর্জাতিক সংবাদ প্রকাশ করে। রেডিও পরিবেশটি মুক্তভাবে সক্ষম করে থাকতে হয় যতনে সংক্ষিপ্ত এবং প্রভাবশালী কথাগুলি প্রচার করা যায়। নামকরণ ও চ্যানেল সংখ্যার ইতিহাস খুব শেষে প্রবর্তন হল।

রেডিও চ্যানেলের সংখ্যা জুড়ে তুলিতে আছে। নামকরণের সাথে সঙ্গে আমরা তাকে চেনে রাখি এবং কিভাবে তারা কাঠামো গঠন করে তা জানি। আমাদের ঝুঁকিপূর্ণ জীবনধারায় রেডিওতে আমরা দীর্ঘদিন দেখি। ভবিষ্যতেও অবসান হবে না।

রেডিও অডিও সিস্টেম

রেডিও হল একটি উপকরণ যা একটি বেতার সিরিয়াল সংকেত সম্প্রচার ব্যবস্থার মাধ্যমে বেতার প্রচার করে। এটি কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা অন্যান্য স্ক্রীনিং প্রযুক্তিগুলি উপযোগী না হওয়া পর্যন্ত বেতার প্রচার করতে পারে। রেডিও সংকেত পাঠানো হয় বিভিন্ন তলবেলার কাছে। এছাড়াও এটি উন্নয়ন, প্রসার এবং আর্কাইভ প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।

রেডিও অডিও সিস্টেম একটি বিশাল সুযোগ যা মূলত অডিও প্রচারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এটি স্রষ্টার অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে যা লক্ষ্য করে শুনুক বা শুধুমাত্র একটি ভিশন বোর্ড না হন। রেডিও অডিও সিস্টেমগুলি একইভাবে ব্যবহৃত হয় সম্পর্কিত তলবেলাগুলির জন্য যেমন প্রেসধারণ গণপ্রজাতন্ত্র, জ্ঞান গণপ্রজাতন্ত্র এবং ম্যানেজমেন্ট ভূমিকা পরিচালনা সংস্থা।

বেতার প্রচারের পদ্ধতি

বাংলাদেশে রেডিও প্রচারণার শুরু হয় ১৯৭২ সালে। এর পর থেকে এটি একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে উন্নয়ন করে আসে। বিভিন্ন রেডিও স্টেশনে তথ্য ও বিনোদনের পরিমাণ বেড়ে উঠেছে। রেডিওতে একটি প্রোগ্রামের পর আরেকটি প্রোগ্রাম শুরু হয় না।

প্রচারণার শুরুতে রেডিও প্রচারণার ফিজিক্যাল স্ট্রাকচারটি খুব সহজ ছিল। রেডিওগুলো একটি সিস্টেমের সাথে সংযোগযুক্ত ছিল এবং পরপর প্রচার করত। এখন আমরা বিভিন্ন বিষয়ে রেডিও প্রচারণা শোনতে পারি, যেমন কিছু ধরনের সংবাদ, বিনোদন, উদ্যোগ ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত কার্যক্রম। এছাড়াও রেডিও প্রচারণার মাধ্যমে হজ ও ওমরা মহরম পূর্ণ করা হয়।

বর্তমানে রেডিও প্রচারণার সুবিধাগুলো আরও উন্নয়ন পেয়েছে এবং উন্নয়নের সাথে সাথে এটি অনলাইনে উপলব্ধও হয়ে উঠেছে।

Leave a Comment