সংখ্যা (Number) কি? কিভাবে সংখ্যা আবিষ্কার হয়েছে?

সংখ্যা হলো একটি মান বা পরিমাণ যা কোনও পন্থা, অবজেক্ট বা বস্তুর সম্পূর্ণ বর্ণনা করে। সংখ্যাগুলো দ্বিমাত্রিক বা স্থানীয় একক হতে পারে এবং এগুলোর মাধ্যমে কোনও পন্থা, বস্তু বা অবজেক্টের সম্পূর্ণ সংখ্যাত্মক বর্ণনা করা যায়। জ্যামিতি এবং অভিকলতা গণিত ইত্যাদির মধ্যে সংখ্যার ব্যবহার খুব কার্যকরী। প্রাচীন মানবজাতির চিহ্ন দর্শক দেবিসের বিপুল দ্রষ্টব্য দ্বারা সংখ্যার প্রথম আবিষ্কার হয়েছে আর প্রাচীন গ্রীকদের গণিতজ্ঞ পুতকো এবং প্লেটো এর কাজের মাধ্যমে সংখ্যাগুলোর উন্নতি হয়েছে।

একটি সংখ্যা কে উদাহরণস্বরূপ কোনও প্রান্ত শুষ্ক ফল বা টেনিস বল উপর যদি আমরা কোনও আকৃতি উঁচু থেকে ছাড়ি তাহলে সেটি থেকে কোনও অনন্য আকৃতি পাওয়া যাবে। এটি আসলে অ্যাবসট্রাক্ট একটি অসীম ক্ষেত্র যা নির্দিষ্ট ব্যাপারে ব্যবহৃত হয়।

সংখ্যা (Number) কি?

সংখ্যা হল এমন একটি ব্যবস্থা যা সংখ্যার সাহায্যে বর্ণনা করা যায়। এটি প্রাণি, মানুষ বা নামকরণ সমতুল্যভাবে বিভিন্ন কিছুর সংখ্যার মাধ্যমে বর্ণনা করে। একটি সংখ্যা অনেক স্থানে ব্যবহার করা হয় যেমন গণনা, পরিমাপ এবং অনুক্রমণ বা নিযোজন। সংখ্যাগুলি হিসাবকরণ সময় ব্যবহৃত হয় এবং কিশোরগণিতে এটি একটি মূল অংশ।

সংখ্যার বিভিন্ন ধরণ আছে যেমন সংখ্যা ইংরেজিতে ‘Number’, বাংলায় ‘সংখ্যা’ বা ‘সংখ্যাটি’ হয়ে থাকে। সংখ্যা ব্যবহার করে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক বিষয়ে সহজে পরিচিত থাকি।

সংখ্যার সম্পর্কে সাধারণ ধারণা

সংখ্যা হল এমন একটি কনসেপ্ট যা আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সংখ্যার মাধ্যমে কোন কিছুর পরিমাণ বোঝার চেষ্টা করি। যেমন একটি বাক্সে যদি আটটি আপেল থাকে, তখন আমরা বলি যে সেই বাক্সে আটটি আপেল রয়েছে। এই ধরনের পরিমাণ ব্যবস্থার জন্য সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।

সংখ্যা হল অংকের মাধ্যমে কোন পরিমাণ বোঝানো হয়। সাধারণত সংখ্যা অংক হতে পারে কিন্তু অংক না হলেও সংখ্যার মান থাকে। সংখ্যা সম্পর্কে সাধারণ ধারণা একটি খুবই দরকারী বিষয়। এটি না জানলে আপনি গণিতে উন্নয়নশীল হতে পারবেন না।

সংখ্যা এমন একটি বিষয় যা সম্প্রতি হাজারো বছর ধরে মানবকে আবদ্ধ করে আসছে এবং আমরা ইহার প্রতি প্রতিদিনই সম্পর্ক রাখি।

পূর্ণসংখ্যা এবং দশমিক সংখ্যা

সংখ্যা হল একটি নির্দিষ্ট একক যা সংখ্যা গঠনে ব্যবহৃত হয়। একটি সংখ্যার মান একটি প্রাকৃতিক সংখ্যার মানের সমষ্টি, যা ভূমিকা বা অবস্থানটি নির্ধারণ করে। একটি সংখ্যার বৈশিষ্ট্য হল এর মান একটি বর্ণমালাতে প্রকাশ করা যায়। পূর্ণসংখ্যা হল এমন সংখ্যা যা দশমিক সংখ্যার অংশ না হয়।

সেইম ভাবে দশমিক সংখ্যা হল এমন সংখ্যা যা পূর্ণ সংখ্যাতে অংশ থাকে। দশমিক সংখ্যার মাধ্যমে আমরা শংখের অংশের উপর ভিত্তি করে কেউ কেউ সম্পদের বিবেচনায় একটি সংখ্যা নির্ণয় করেন। একটি সংখ্যার প্রকারভেদ পরিবর্তিত হয় সেই সংখ্যার অংশ এবং এর ব্যবহারের ভিন্ন প্রয়োজনমতো হওয়ায়।

সংখ্যা আবিষ্কারের ইতিহাস

মানবকেন্দ্রিক আলোচনায় সংখ্যা সম্পর্কে আমরা সবাই পরিচিত। কিন্তু আবিষ্কারের ইতিহাস এবং সংখ্যার বিষয়টি সবার জ্ঞানগ্রহণের মধ্যে নয়। প্রাচীন সমস্যা সমাধানের জন্য মানুষ সংখ্যা আবিষ্কার করেছেন। প্রাচীন সমস্যা সমাধানের জন্য এই বিলম্বের হিসাবে সংখ্যাগুলি উত্পন্ন হয়েছিল।

গণিত যুগে সংখ্যা একটি সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে। পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যে সংখ্যাগুলোর উদ্ভব জাতি দিনতে দিন উন্নতির পথে নানা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন হয়ে গেছে। আধুনিক যুগে গণিতের উন্নয়ন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং এর ধাঁধানসমূহে সংখ্যা আর অনিবাসিত কিছু নতুন কিছু তৈরি হয়ে গেছে। তাছাড়াও কয়েক বছর আগে কুয়েতের একটি গন্তব্য বাস্তবায়ন করা হয়েছিল সংখ্যা যা কখনো উপস্থিত ছিলনা।

তাছাড়াও সংখ্যার ইজ্জত সবসময় থাকবে কারণ এটি আমাদের বেশিরভাগ কাজে সহায়তা করে।

প্রাচীন সংখ্যা গবেষণা

সংখ্যাগুলি মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং সংখ্যার আবিষ্কারটি মানবজাতির জীবনের একটি অনিন্দিত ঘটনা। সংখ্যার আবিষ্কারে কোনও একজন ব্যক্তির কাজ নয়। এটি একটি ব্যাপক উন্নয়নের ফল। সংখ্যার আবিষ্কারের সমস্ত প্রস্তুতি কার্যকরী করেছেন না।

মানব সমাজের বিভিন্ন অংশে সংখ্যার ব্যবহার হয়ে গেল এবং সন্তোষজনক ফলাফল লাভ করা সম্ভব হয়েছিল। সংখ্যা আবিষ্কারের ইতিহাস বেশ কঠিন একটি গবেষণা। এটি প্রায় সকল সমস্যার সমাধান পেয়েছে। সুতরাং, সংখ্যার আবিষ্কার বিষয়টি প্রতিটি চর্চার মুখোমুখি হয়েছে।

সংখ্যার আবিষ্কারটি মানব জীবনের একটি বিখ্যাত অংশ এবং সেটি বিভিন্ন পথে ব্যবহৃত হয়। প্রাচীন সংখ্যা গবেষণা মানবজাতির ইতিহাস পরিবর্তনের একজন গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য সমূহ। পূর্বের সংখ্যাগুলি সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজন ছিল এবং এখনও আমাদের পূর্বজনদের উৎসাহ প্রাপ্ত করতে থাকে।

গ্রীক যুগে সংখ্যা উন্নয়ন

সংখ্যা আবিষ্কার ধর্মীয় গ্রন্থগুলোর মধ্যে এলে তার বিস্তৃত ইতিহাস দেখা যায়। এটি পুরাতন গণিতের ক্ষেত্রে একটি অসাধারণ সাফল্য, যা যুগের নাম দিয়ে পর্যায়ক্রমে নববর্ষ হিসাবে পরিচিত। বিজ্ঞানীদের মনে হয় যে উপস্থিত সংখ্যা ব্যবহারে উৎপন্ন কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নেই, কিন্তু প্রাচীন আইন ও ঋষির কথাগুলি এরকম প্রমাণ করেনি। গ্রীক যুগে সংখ্যা একটি নতুন ধারণা হিসাবে দেখা যায়।

গ্রীক অক্ষরাবলীতে সংখ্যার জন্য নির্দিষ্ট অক্ষর ব্যবহার করা হয়। সংখ্যাগুলি এক থেকে নয় পর্যন্ত হতে পারে এবং এদের মান সমস্ত ভাষায় বলা যায়। গ্রীক সংখ্যা ব্যবহার করে বিভিন্ন উপাদানের প্রকৃতি উন্নয়ন, অমর গল্প এবং লেখাগুলিতে সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। আজকের দিন গ্রীক সংখ্যার ব্যবহার হয় একটি বিশেষ ক্ষেত্রে যাতে তাদের বিশেষ স্থান রয়েছে।

আরব যুগে সংখ্যা নামকরণ

মানব সভ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সংখ্যা। সংখ্যার ইতিহাস নিহিত রয়েছে মানব সভ্যতার অত্যন্ত প্রাচীন দিন থেকে। যুগে যুগে সংখ্যা নামকরন পরিবর্তিত হয়েছে। আরব যুগে সংখ্যার উপযোগ এবং নমুনা পরিবর্তন হল মানব সভ্যতার ইতিহাসের বিশাল অধ্যায়ে।

আরব জমিদারেরা যুক্তিবাদীভাবে সংখ্যা জানা এবং ব্যবহার করা শুরু করেন। তাদের সংখ্যা নামকরণ ব্যবহার করে হিন্দু ও গ্রীক সংখ্যা নামকরণের পাশাপাশি আরব আবিষ্কার করেন সুফিয়া মুহাম্মাদ আল খোয়ারিজি। এই নামকরন এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে আরব দেশে এবং নিয়মগুলো সারাজীবন মেরেছে ভেসের নুমান। শতকরা ধরে এই সংখ্যা নামকরন ব্যবহৃত হচ্ছে এবং আমরা সংখ্যা পদ্ধতিটি ব্যবহার জানি এবং নিয়মগুলো ব্যবহার করি দিনশেষে।

Leave a Comment