তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে শিক্ষা বিস্তৃত হচ্ছে- ফিশিং কাকে বলে?

তথ্য প্রযুক্তি বিস্তৃত হওয়ার সাথে শিক্ষা পদ্ধতিও সরবরাহ করছে পরিবর্তন। এটি শিক্ষার্থীদের একটি নতুন দুনিয়ার মাধ্যম দিয়ে সন্তুষ্ট করতে এবং তাদের শিক্ষা করতে একটি পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। কিছু কাংখিত ফিশিং আরাও উন্নয়ন করছে এবং তার পরিণতি শিক্ষার্থীদের ছদ্মবেশের ফাঁদে পড়ার জন্য প্রস্তুত। শিক্ষার্থীদের অবহেলা এরকম অনিষ্ট ঘটতে পারে এবং শিক্ষকদের দায় হল এ প্রবণতা দমন করা।

শিক্ষার্থীদেরকে তাদের ফিংগের উপর সাবধান থাকতে এবং নিরাপদ থাকতে শিখানো উচিত এবং স্কুল বা শিক্ষামুলক প্রতিষ্ঠানগুলির সম্মানিত সদস্য এর মেধাসম্পন্ন হওয়া উচিত।

ফিশিং কি?

ফিশিং হল একটি শখ বা কাজ যা মাছের সাথে মিলে যাওয়ার জন্য নীড় বেশি দিয়ে জলে জায়গা খুঁজে পেম্বু এর মাধ্যমে জাল দিয়ে মাছ ধরা হয়। ফ্লাই ফিশিং, সমুদ্র বা নদীর উপস্থিত হয় এবং এক দল মানুষ দ্বারা ধরা হয়। ফিশিং একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া হলেও এটি একটি প্রাসঙ্গিক শখ হিসাবে বিকাশ করেছে। এটি একটি সাধারণ নৌকা পাশে থাকা যায় এবং আপনি নৌকায় বসে চলে যেতে পারেন উপস্থিত জলের দিকে এবং মিছিলে তালতে শিখতে পারেন।

এছাড়াও একটি ভাগ্যবান ফিশারও হতে পারেন যদি সঠিক সময়টি পছন্দ করেন।

ফিশিং এর প্রাথমিক ধারণা কি?

ফিশিং বলতে মৎস্য ধরার একটি স্পোর্টস ক্রিয়া বোঝা হয়। এখানে মাছ ধরার পেশা বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে আবদ্ধ হওয়া হয়। কয়েক প্রকার মাছ হলেও মৎস্য ধরা হয় বেশিরভাগ সময় মাছ খাবার জন্য। মাছ ধরার জন্য আলাদা আলাদা প্রকৃতির উপকরণ ব্যবহার হয়।

সাধারণত স্পোর্টসম্যানদের মাছ ধরার জন্য স্পিনিং সম্প্রসারণ, সহজলভ্য এবং ট্রলিং এর মাধ্যমে মাছ ধরা হয়। ফ্রেশওয়াটার এবং সমুদ্রে এই স্পোর্টস ক্রিয়াটি খুব জনপ্রিয়। অনেকে প্রফেশনাল মৎস্য ধরকে একটি পেশা হিসাবে অন্যকেও আকর্ষিত করে। এটি একটি জীবনযাত্রার স্পোর্টস ক্রিয়া যা ফিটনেসের না তবে প্রয়োজনীয় হলে ব্যবহারকারীদের মাছার সম্পর্কে ঠিক ধারণা থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ফিশিং কেন এত ঝামেলা?

ফিশিং হলো একটি খেলা বা জীবনযাপনের প্রক্রিয়া যেখানে মাছ ধরা হয়। এই খেলা বা জীবনযাপন সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াতে ব্যবহৃত হয় তীক্ষ্ণ ও স্পেশালাইজড উপাদান যেমন স্পীনিং রিল, ফিশিং লাইন, কয়লা সহ অন্যান্য উপকরণ। এক্ষেত্রে ব্যাপক ধরনের মাছ ভিন্নভাবে ধরা হয় যেমন জলছাপ, কেলপা, ফ্লাই ফিশিং ইত্যাদি। এখন প্রশ্ন উঠছে ফিশিং কেন এত ঝামেলা? উত্তরটি খুবই সহজ।

আসলে ফিশিং একটি ঝামেলার খেলা নয়। ফিশিং একটি সম্পূর্ণ পরিকল্পনামূলক প্রক্রিয়া যা নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী অভ্যস্ত হতে হয়। প্রথমে মাছ ধরার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বা উপকরণসমূহ আছে যা ব্যবহার করে মাছ ধরা হয়। এরপর মাছ কাটার পর এর পরিবেশন এবং বিক্রয় ঘটানো হয়।

এই কার্যক্রমটি সব সময় সঠিকভাবে করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যাতে কোনো অসুবিধা না হয়। তাই যেকোনো অভিজ্ঞ ফিশার এটি সঠিকভাবে পরিচালিত করতে পারে এবং এটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারে।

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে ফিশিং কীভাবে হয়?

ফিশিং হল একটি অঘটিত মানসিক অকারণীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত তথ্যগুলি হারায়। এটি হার্ভার করা তথ্য, পাসওয়ার্ড, ফটোগুলি বা নিরপেক্ষ তথ্য উপস্থাপনের একটি ধরন। একজন হ্যাকার শিকারে লক্ষ করে সামাজিক মাধ্যম অথবা ইমেলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ফিশিং ছাড়াতে পারেন বা কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে মানসিক প্রভাব পার্শ্ব করে সাধারণ ব্যবহারকারীদের উপস্থাপন করতে পারেন। ব্যক্তি অবশ্যই কঠোর হতে পারে না ক্ষেত্রটিতে, ফিশিং মেইলে লিঙ্কে ক্লিক করলে সমস্যাটি ঘটতে পারে।

যেহেতু তথ্য প্রযুক্তি বেশি ব্যবহৃত হয় এই দুর্দান্ত হাতিয়ারীর দিকে যেন সাবধান থাকা জরুরী এবং ফিশিং মেইল স্প্যাম ফিল্টার দিয়ে ফিল্টার করার মাধ্যমে জনপ্রিয় উপায় হতে পারে।

একটি ফিশিং হুকে বোঝার জন্য কি কি উপায় ব্যবহার হয়?

ফিশিং হুক একটি ঘটনা যেখানে একজন অজানা ব্যবহারকারীকে অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত বা জার্মেন্টস ব্যবহার করে তার সংগ্রহকৃত গোপন তথ্য চুক্তি অনুযায়ী প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। ফিশিং এই নামের মডেল হলো “শিকারের চিহ্ন” এমন একটি কম্পিউটার হ্যাকিং প্রচারিত হয়েছে যা হুক ধরে ব্যবহার করা হয় ব্যবহারকারীকে আস্থা দেয় যে সেই সাইটটি একটি বিশ্বস্ত পরিষেবা সরবরাহ করে। ফিশিং হুকগুলি একটি লিংকের মাধ্যমে সামাজিক মিডিয়া বা ইমেইল পাঠানো হয়, যা লক্ষ্য করে ব্যবহারকারীরা সেই লিংকটি ক্লিক করে সাদা পৃষ্ঠায় চলে যায়। লিংকটি সংজ্ঞায়িত হলে, ফিশিং হুকটি দোষারোপ পেতে ব্যবহারকারীকে প্রশ্ন করতে পারে বা সংগ্রহকৃত তথ্যগুলি ব্যবহার করতে পারে।

এই ফিশিং হুকগুলি থেকে বাঁচতে বা এই প্রকার হ্যাকিং ঘটনার ঝুঁকি থেকে বাঁচতে ব্যবহারকারীকে যেকোনো লিংকে ক্লিক না করা উচিত। তাদের পরিষেবা সরবরাহকারী সব সময় যাচাই করে তাদের পরিষেবার নাম এবং সরবরাহকারী পক্ষ যাচাই করুন।

একটি ফিশিং হুক একটি মানুষের কেমন তথ্য নিয়ে কাজ করে?

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে ফিশিং হল একটি বিপদজনক ও জনপ্রিয় কম্পিউটার হ্যাকিং পদ্ধতি। ফিশিং হল এমন একটি পদক্ষেপ যার মাধ্যমে হ্যাকাররা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। একটি ফিশিং হুক ভালো কাজ করে কেননা এটি বাস্তব একটি পেজ, লগইন ফর্ম বা অন্যান্য অনলাইন ফর্ম এর দৃষ্টিকোণ সম্পর্কে নিশ্চয়তা দেয়। ইসলামী ব্যাংক বা এবারে আমাদের রেডিও স্টেশন হতে একটি পেমেন্ট এর মাধ্যমে দেখা তুলেছেন।

আপনি একটি ইমেল পেতে পারেন যার সাথে সম্প্রয়োজিত লিঙ্কে আপনি ইণ্টারনেট লগইন ফর্মটি পুনরায় অনুসন্ধান করতে পারেন। কথার শেষে আমি আশা করি আপনি ফিশিং সম্পর্কে আরও জানতে জন্মানো।

ফিশিং কেন টেকসই?

ফিশিং একটি বেশ জনপ্রিয় স্পোর্টস ইভেন্ট। আবার এটা একটি ইনকাম সূর্যের কাজে হওয়াও সম্ভব। মাছ বাঁচানোর জন্য সেই সেন্টিমেন্টে অনেকে এটি মেধায় সম্পন্ন হয়ে থাকেন। তবে ক্ষুদ্র এই স্পোর্টস কতটা নিরাপদ এবং স্থায়ী দায় প্রদান করছে তা সম্পর্কে মানুষের একটি ধারণা নেই।

এটি ফ্রড ধরার একটি পদক্ষেপ হতে পারে আর ইন্টারনেটে নিরাপদ ননকরা সাইট থেকে আপনি আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হারাতেও পারেন। তাই সতর্ক থাকুন এবং নিরাপদে ফিশিং করুন।

ফিশিং করে মানুষকে ধ্বংস করার প্রধান কারণ কি?

ফিশিং একটি মজার কাজ যা আপনাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নৌকা বেহেশ্ত করে অসংখ্য মাছ ধরতে সাহায্য করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, কিছু লোকরা ফিশিং না করে অবসর সময়ে মাছ ধরতে চেষ্টা করে যা জনসাধারণের জন্য ক্ষতিকর। এটি একটি বিপদজনক কাজ হতে পারে যদি অসত্বরতার জন্য পেশাদারী ফিশারম্যানরা বিভিন্ন ধরণের বিষক্রিয়া ব্যবহার করে ফিশিং করে। এর ফলে সমুদ্র থেকে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের আপনজন প্রাণী যেমন ডোলফিন, পাঙ্গলিন, হাঙর, শামুক, শাহামুক ইত্যাদির ধ্বংস বা খনি হতে পারে।

এছাড়াও, খামার ফ্লুডিং, জল দৌলত হারানোর পরিবর্তে সমুদ্র জীববৈচিত্র্য সংসারের ক্ষতির জন্য ফিশিং একটি জনসাধারণের ক্ষতিকর উপাদান হতে পারে। তাছাড়া, কন্ঠস্থ উল্লেখযোগ্য প্রাণীসমূহ সমুদ্র থেকে খরচ ধারণ করে এবং এর ফলে এসে থাকে প্রাকৃতিক বাইওমাস সংসারে প্রভাবশালী পরিবর্তন। কারণ হল ফিশিং না করার জন্য শিক্ষার্থী এবং দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ সময়গুলি একটি খাট অপরিহার্য কাজে ব্যয় না করে শিক্ষার্থী বা পথচলারা সমুদ্র সমুদ্র খাদ্য খাওয়ার সক্ষমতাতে বুঝ অর্জন করে এবং এসব প্রভাবিত প্রায় সব মানুষ সকলের জীবনকে সুরক্ষিত করে। “

ফিশিং থেকে নিজেকে কি রক্ষা করতে হয়?

ফিশিং হল একটি প্রচলিত শখ যা প্রায় সবাই করে। একজন ফিশার হওয়ার জন্য কেবলমাত্র কিছু পরিস্থিতি পালন করা যেতে পারে যেন জলের উপস্থিতির বিষয়ে খুবই সচেতন থাকা। ফিশিং করতে গিয়ে আপনি কখনোই জলে পশু-পাখি নষ্ট করবেন না এবং পানি উপস্থিতি চেক করে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। শুধুমাত্র এটিতে কোনো স্বচ্ছতা মেনে চলার জন্য আপনি কম কথা নামাচ্ছেন না।

ফিশিং থেকে নিজেকে একটি কাজে লিপ্ত হওয়ার আগে আপনাকে স্বাস্থ্যকে ধরে রাখতে হবে। যেমন আপনাকে একটি পরিবেশে বা জলে চলতে হতে পারে যা অনেকখানি দূষণের জন্য জ্বলা করে থাকতে পারে। আপনি আপনার নিজের জন্য একটি কচিং টুলস ব্যবহার করে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং ডিসপোজেবল পানি বোতল ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া একটি জীবনশৈলী পরিবর্তনকারী করণীভূক্ত হওয়ার আগে আপনাকে কচিং টুলস একটি সংগ্রহ করতে হবে যাতে আপনি সাবান ও পানি সহজেই পাবার জন্য পানি পাওয়া যায়।

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে ফিশিং থেকে কী রকম বাঁচতে পারি?

ফিশিং হলো হ্যাকারদের পছন্দের লক্ষণীয় একটি উপায়। আপনি যদি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তবে ফিশিং আপনাকে একটি প্রধান ঝুঁকি উপস্থাপিত করে। এটি আপনার গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব করে এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁকা করে ফেলতে পারে। এক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমরা ফিশিং থেকে বাঁচতে পারি।

একটি সামান্য উদাহরণ হিসাবে, যদি আপনি কোন ইমেইল পেতে পারেন যাতে আপনি মনে করেন যে এটি বাস্তব হতে পারে না তবে এই ইমেইল স্প্যাম হতে পারে এবং আপনার তথ্য উন্নয়ন করার জন্য নিদর্শনের নামে আপনার পাসওয়ার্ড দিতে আগ্রহী করবে। আপনি যদি একটি ফিশিং ইমেইল পেতে পারেন তবে আপনার পাসওয়ার্ড কখনওও জানাবেন না এবং এটি একটি স্প্যাম ইমেইল। তখনও এপ্লিকেশন এবং ভিউয়ের সঠিক নাম দেখে সিদ্ধান্ত নিন এবং আপনার পাসওয়ার্ড কখনওও একটি অংশ না দিয়ে।

আমরা যে জেএসএস ব্যবহার করি, সেটি কীভাবে অ্যানটি ফিশিংয়ের সামনে সুরক্ষিত?

আমরা এইভাবে জানি যে ফিশিং হলো একটি অপরকলের মাধ্যমে উপকৃত তথ্য অর্জনের একটি পদ্ধতি। হ্যাকাররা সাধারণত মূল্যবান সূত্র থেকে ব্যবহৃত তথ্যের প্রবেশের আগে প্রতারণা করতে পারেন যা ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়াশীল করে। কিছু ফিশিং পদক্ষেপ হল ভামুকতার জন্য মেইল স্পুফিং বা ওয়েবসাইট ক্লোনিং। সুরক্ষিত থাকার জন্য আমরা জেএসএস ফাইলের সম্পর্কে বিশদ ধারণা থাকতে হবে এবং সেটি যথাযথ ও এনক্রিপ্টেড সংগ্রহকৃত হতে হবে।

এছাড়াও এক্সটেনশান ব্যবহারের সময় যত সম্ভব অল্প করতে হবে এবং অজানা উৎস ব্যবহার করা থেকে থাকা উচিত। প্রথম থেকেই একটি HTTPS ইনস্টল করা একটি ভাল উপায় হল সুরক্ষা প্রদান করার জন্য। এছাড়াও, ডমেইনের সাথে তথ্য সংগ্রহের সময় সর্তক হতে হবে এবং সংগ্রহকৃত বিভিন্ন সাবজেক্টের জন্য বিশেষভাবে নেটওয়ার্ক সংরক্ষণ থাকতে হবে। আরও উন্নয়নের জন্য আমরা এক্সটেনশান হুক ব্যবহার করতে পারি যা সহজ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্বিতীয় উপরোক্ত সংক্রমণ রোধ করতে সক্ষম।

তবে, একটি সম্পূর্ণ ও বিশ্বস্ত ফিশিং প্রতিরোধ প্রক্রিয়া হল আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে ফিশিং সম্পর্কিত একটি নির্দিষ্ট সংক্ষিপ্ত কার্যক্রম পরিচালনা করার মাধ্যমে ফিশিং সংক্রমণ দমন করা হয়।

পাসওয়ার্ড বানানোর সঠিক নির্দেশনা কি?

পাসওয়ার্ড একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি আপনার ইন্টারনেট এক্সপেরিয়েন্স নিরাপদ রাখার জন্য সম্পূর্ণ প্রয়োজনীয়। এটি অত্যন্ত সম্ভবতঃ একটি ব্যবহারকারীর নিজস্ব তথ্য প্রবেশ করার একমাত্র উপায়। তবে মানসিকভাবে এটি কখনও সহজ নয়।

একটি শক্তিশালী এবং নিরাপদ পাসওয়ার্ড তৈরি করার জন্য দক্ষ হওয়া প্রয়োজন। অনেকে সহজে ভঙ্গিতে আপনার একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে থাকে এবং তাদের একটি পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়ার কারণে তাদের ভরসা সম্পূর্ণভাবে হানা হয়ে যায়। সহজে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে না। আপনাকে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করে প্রতিদিন ব্যবহার করা উচিত।

এটি কোনও একটি স্ট্রিং হতে পারে না। তবে এটি অবশ্যই একটি একক চিহ্ন, সংখ্যা এবং বর্ণমালার বিভিন্ন ধরনের তালিকার কমপক্ষে পাঁচ উপাদান থাকতে হবে। যদি কোনও একটি মেজার ওভারহল সহ থাকে তবে আপনাকে এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করা উচিত নয়। এছাড়াও, আপনি পাসওয়ার্ডটি দ্বিতীয় কেউ আপনার সাথে ভাগ করতে থাকলে তা পরিবর্তন করা উচিত।

অন্যদের সাথে পাসওয়ার্ড ভাগ করা একটি ভুল ধারণা। আপনি সমস্তকিছু রক্ষা করতে পারবেন এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারবেন পাসওয়ার্ডটি দ্বিতীয় কেউ জানতে পারবে না।”

তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে ফিশিং থেকে কী রকম সতর্ক থাকতে হবে?

আজকাল তথ্য প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রায় সকল ব্যবসায়ী ও ব্যক্তির জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করার সাথে সাথেই আপনি নিরাপদভাবে ইন্টারনেট সার্ফ করতে পারেন না। এছাড়াও হ্যাকাররা অতি প্রবল এই সমস্ত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে তাদের কুঞ্জিত আদালতে হয়রানি করার জন্য আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। বিশেষতঃ ই-মেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া এই প্রধান হতে পারে।

একটি প্রকৃত দক্ষতার সাথে ফিশিং নামের একটি ক্ষেত্র সকল দর্শন করে। ফিশিং হল অতি কার্যকরে একটি ধাপযোগ্য হ্যাকিং পদ্ধতি। তবে প্রচারেই থাকে ফিশিং ঘটনার অশ্রুতপূর্ণ সংখ্যার কারণে সেটি বুঝতে কঠিন হতে পারে। এখন আমরা কিছু পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করব যাতে আপনি ফিশিং নামের এই প্রকার ধাপযোগ্য হ্যাকিং পদ্ধতি থেকে নিরাপদ থাকতে পারেন।

কোন কোন ধরণের সংকট সামনে হতে পারে?

তথ্য প্রযুক্তি দুনিয়াতে আসলে অনেক উপকারি এবং উন্নয়নশীল বিষয়। তবে কিছু অসাধু লোক এটি অপব্যবহার করে ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করেন। একটি উদাহরণ হল ফিশিং প্রক্রিয়া। ফিশিং একটি অস্থির সংকট যা মানুষের নিজের প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে অন্যান্য সংস্থা বা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন উদ্দেশ্যে প্রতারিত করে।

ফিশিং প্রক্রিয়াটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ইমেল এর মাধ্যমে ঘটতে থাকে। ব্যবহারকারীদের আবারও সতর্ক থাকতে হবে যে ফেসবুক ইনবক্স, স্কাইপ কিংবা অন্য কোন অ্যাপে এসএমএস সম্পর্কিত লিংক অনুপ্রযুক্ত হলে এগুলি কখনও ক্লিক না করবেন। ভালোভাবে সতর্ক থাকা সত্বেও ফিশিং থেকে পুরোপুরি বাঁচতে হলে টেকনলজির সাথে আশ্রয় নেওয়া উচিত।

অজানা একটি মেসেজ এসে থাকলে কি করতে হবে?

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সময়ে ফিশিং এখন একটি সাধারণ ধরণের টেকনিক সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারীদের একটি হানি বাধা করতে পারে। একটি ফিশিং মেসেজ যখন কোন ব্যবহারকারীর সংগে এসে থাকে, তখন মেসেজের ধরণ পরীক্ষা করতে না পারলে উত্তর দেওয়া উচিত নয়। সাধারণত এই মেসেজগুলি আসল মেসেজ না হয়, এগুলি একটি বিশেষ লিঙ্কের যুক্ত হয় যা আপনার ব্যবহারকারী নামটি ক্লিক করতে উত্সাহিত করে তথ্য প্রদান করতে বাধ্য করে। সর্বসাধারণে, এই লিঙ্কগুলি আপনার ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ড জেনে নিয়ে আপনার ডেটা চুরি করতে পারে অথবা আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে একটি নিশ্চিত ভাইরাস ইনস্টল করতে পারে।

তাই আপনি যদি একটি ফিশিং মেসেজ এসে থাকলে সাবধান থাকুন, মেসেজটি পরীক্ষা করুন এবং আপনার ব্যবহারকারী নাম এবং পাসওয়ার্ডটি প্রদান না করার জন্য নির্দেশ মনে রাখুন। এছাড়াও একটি ভুল বা অর্থহীন মেসেজের ক্ষেত্রে একটি প্রতিক্রিয়া দিতে পারেন যাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি এটি সমাধান করতে পারে। তবে ফিশিং থেকে সুরক্ষিত থাকতে একটি প্রধান উপায় হলো সতর্ক থাকা এবং ভুল সনাক্ত করা।

কীভাবে ফিশিং যুক্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন?

ফিশিং হলো অনেক হানিকারক একটি কাজ। কিন্তু আপনি বিভিন্ন যুক্তি ব্যবহার করে নিজেকে ফিশিং থেকে রক্ষা করতে পারেন। প্রথমত, আপনি সঠিক স্থান এবং সময়ে ফিশিং করবেন। আপনি কখনই একটি জনপ্রিয় ফিশিং স্পটে না যান।

এতে দ্বিগুণ হানি কম হবে। এরপর, আপনি সঠিক ফিশিং জিয়ার (একটি সুরক্ষিত ফিশিং জিওর) হাতে রাখুন। এই জিওর ব্যবহার করে আপনি নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারেন। নতুন ফিশিং যুক্তি শিখতে টিউটোরিয়াল, সেমিনার এবং ওয়েবসাইট দেখুন।

এছাড়াও প্রতিদিন বর্তমান হাল ও শিক্ষা লাভ করুন। আপনি সতর্ক থাকবেন এবং অপরিহার্য কারনে উচ্ছ্বসিত না হওয়া জন্য সর্বদা চেষ্টা করুন। একটি প্রশ্ন নিজেকে করুন – কেন ফিশিং জিনিসটি আপনার জন্য খুব জরুরি একটি কাজ? ধরুন ফিশিং একটি বিপদে পড়েন এবং আরো দুটি কাজের সেটিং করেন যা করতে হতে পারে।আমরা সবাই আশা করি আপনি আপনার ফিশিং ট্রিপে এক অসাধারণ সময় উপভোগ করবেন!

সঠিক সিকিউরিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন

ফিশিং হলো একটি সামাজিক ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতি, যা অধিকাংশ দিনের কাছাকাছি একজন ব্যবহারকারীর কম্পিউটার থেকে সংগ্রহকৃত তথ্য ব্যবহার করে উপস্থাপন করে একটি নিরাপদ দিখার খেলাঘর। এর মধ্যে সেটি ছদ্মবেশের মতো একটি কাচ যা আপনি দেখতে পাবেন না। ফিশিং সাইটগুলি প্রবেশকারীদের সাধারণত নাম এবং পাসওয়ার্ড চাই এবং পাসওয়ার্ড সংক্রান্ত বিশদ তথ্য জানতে চাই। তাই উপকারী হবে সঠিক এবং বিশ্বস্ত সিকিউরিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা।

এটি আপনাকে ফিশিং যুক্তি থেকে আপনার নিজেকে রক্ষা করবে। সিকিউরিটি সফ্টওয়্যার দরকারি হলে আপনার নিজের অফিস, ব্যবসা বা আপনার নিজের কম্পিউটার থেকে ক্রয় করতে এবং ব্যবহার করতে পারেন। সর্বশেষে, যেখানে আপনি প্রবেশ করছেন সেখানে হেরফের সম্ভাবনা কম থাকবে।

আবহাওয়ায় যে কিছু ভেবে নেওয়া উচিত না সেটিও জানুন

ফিশিং একটি সময়সীমিত খেলা না। এটি মানে হয় আপনি নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে হবেন। জলবায়ু সবসময় অপরিচিত থাকতে পারে। তাই ফিশিং এর আগে আবহাওয়ায় নজর রাখতে হবে।

তারপরে আপনাকে জানা উচিত যে কোনও সময় আপনি আবহাওয়ায় পরিচিত থাকতে পারেন না। আপনি প্রথমেই একটি জ্যাকেট নিয়ে ফিশিং এ যাওয়া উচিত। জ্যাকেট আপনাকে ঠান্ডার বা ভারী ঝড় থেকে রক্ষা করবে। এরপর আপনি যখন ফিশিং এর জন্য যাবেন তখন নির্দিষ্ট সময়ে ও নির্দিষ্ট ঠান্ডার বা মাঝারি ঝড়ের সময় হুড়ি ও জ্যাকেট পরিধান করুন।

ফিশিং এর সময় সবসময় পর্যবেক্ষণ করে রাখুন আপনার উপস্থিতির এলাকার আবহাওয়ায় নির্দিষ্টভাবে। এটি শরীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সহজ করে আপনার ফিশিং এর সময় শান্তি আর সুখ বিতরণ করে নিতে পারে।

ফেসবুক এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে এক্সপোজ হওয়ার সময় কী করবেন?

ফেসবুক ও অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে এক্সপোজ হওয়া বেশিরভাগ সময় ফিশিং কর্মকান্ডের জালে ফেলে যায়। এটি ফিশিং অ্যাটাক নামে পরিচিত। সাধারণত, ফেসবুকে অসাধারণ কিছু ঘটে না এমন একটি বট-শেল প্রেরণ করে জুড়ে ফেলা হয়, যেটি আপনার কর্মকান্ডগুলি ট্র্যাক করে ও আপনার ফেসবুকের কুকিজগুলি উদ্ধার করতে পারে। আপনি কী করবেন? সবচেয়ে সহজ উপায় হল ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সিকিউরিটি সেটিংস ঠিকমত সেট করা।

এছাড়াও, আপনি একটি স্ট্রং প্যাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে এবং দৈনিক বেশিরভাগ সময় পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে হবে। অতিরিক্ত সতর্কতা নিয়ে সুপারিশ করা হলো, সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টের আগে প্রলোভন করানো ডেভাইসের ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন এবং কখনই পার্সনাল তথ্য শেয়ার না করে যান। বন্ধুদের এরকম পোস্টের ধারণা দিন যা নিশ্চিত করে যে, খুব সহজে ফিশিং হামলার তালিকায় না পড়ায়।

Leave a Comment