ব্লকচেইন (Blockchain) কি?

ব্লকচেইন (Blockchain) একটি ডিস্ট্রিবিউটেড লেজার তথা একটি পাবলিক ডেটাবেস যা সকল ডেটা নিয়ন্ত্রণযোগ্য করে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট মধ্যে বিতরিত করে। এটি উন্নয়নে খুবই নতুন, কিন্তু ডিজিটাল প্রযুক্তি এর জন্য এটি অযথা নাহি। এটি ডাটা এবং ট্রানজেকশনসমূহ সংরক্ষণ করে এবং পুরো নেটওয়ার্কে এগিয়ে চলে যায়। এটি একটি এনক্রিপ্টেড, ভৌগোলিক এবং সুরক্ষিত সিস্টেম।

ব্লকচেইন ব্যবহার করে নিরাপদ ও সার্থক ট্রানজেকশন খুব সহজে করা সম্ভব। এটি দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি সার্ভার, কারণ এটি ছাড়াই স্বত্বাধিকারিক হওয়া হয়ে থাকে। ব্লকচেইন এর কাজটি একটি ক্রয় অথবা বিক্রি এবং এর বদলে ধার পাওয়া একটি বিশ্বস্ত রেকর্ড সংরক্ষণ রাখা।

ব্লকচেইন হলো কী?

ব্লকচেইন একটি প্রযুক্তি যা ডিজিটাল আর্কাইভের একটি সার্বজনীন ডেটাবেজ মনে করা যায়। এই প্রযুক্তিতে ডেটা হাল-নাগাদ করা হয় এবং সেই ডেটার সংগ্রহ এবং পরিচালনা হয় একটি নেটওয়ার্কে। ব্লকচেইনে ডেটা, যেকোন ধরনের তথ্য বা ছবি, একটি ব্লক নামক একটি ক্ষুদ্র আকারের ফাইল হিসেবে সংরক্ষিত হয়। প্রত্যেকটি ব্লক এ একটি অদ্ভুত স্বাক্ষর থাকে, যা সেই ব্লকের ডেটা থেকে উৎপন্নকরতে পারে।

একটি নেটওয়ার্কে সমস্ত ব্লকগুলির সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে একটি বড় অলস্টরী তৈরি হয় এবং কোনও ডেটা পরিবর্তন না হলে সেই স্টোরি পুনরায় লেনদেন করা যায় না। এই প্রযুক্তির খুব জনপ্রিয় একটি উদাহরণ হলো বিটকয়েন।

ব্লকচেইন একটি ডিসট্রিবিউটেড লেজার টেকনোলজি

ব্লকচেইন হলো একটি ডিসট্রিবিউটেড লেজার টেকনোলজি যা দুইটি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে সমৃদ্ধ ট্রানজেকশন সংরক্ষণ করে থাকে। এটি একটি আইডিয়াকে সংরক্ষণ করতে একটি নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে। যেমন একটি ডেটাবেস এখন একটি কেন্দ্রীয় সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়, ব্লকচেইন সংগ্রহশালা একটি নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করে সংরক্ষণ করে থাকে। বিষয়টি সম্পর্কে উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়।

ধরেন আপনি একটি ব্যাংক থেকে একটি অনলাইন আর্থিক লেনদেন করছেন। ব্যাংক দ্বারা গণনা করা হলো যে সমস্ত তথ্য একটি সেন্ট্রাল সার্ভার এ সংরক্ষিত থাকে। তবে এই তথ্য ব্লকচেইন দ্বারা নেটওয়ার্ক সংরক্ষিত হয় এবং এই নেটওয়ার্ক ডিসট্রিবিউটেড রয়েছে। এটি মানে হল আপনার লেনদেন দুই উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে হয়েছে এবং তাদের মধ্যে কোন মধ্যমকে চূর্ণের মতো করা সম্ভব না।

ব্লকচেইনের ইতিহাস

ব্লকচেইন একটি দারুণ প্রযুক্তি। এটি সারা বিশ্বের ক্রিপ্টোকারেন্সির সাথে নির্লজ্জে ইতিহাস রাখে। আবশ্যই আপনি এটির পেছনের ভৌতত্ত্ব জানেন। একটি ব্লকচেইন একটি ডিস্ট্রিবিউটেড লেজার যা একটি সিরিজ হিসাবে কাজ করে।

একটি ব্লকচেইনে সব ট্রানসফারকে একটি ব্লকে সংযুক্ত করা হয়। একটি স্পেশাল কিছু ক্রিপ্টোগ্রাফিক মেথডগুলি ব্যবহার হয় যার কারণে একটি ট্রানসফার পূর্ণ হওয়ার আগে অপ্রত্যাশিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি না। আর সেই কারণে হার্ডওয়্যার অধিক বিশ্বস্ততা দেখা যায়। আমরা ব্লকচেইন ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে সবার সামনে খোলাখুলি আলোচনা করেছি, তবে বস্তুত এটি একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিকেলি সমাধান যা একটি সংশ্লিষ্ট সেট অফ পাবলিক ক্রিপ্টোগ্রাপি ব্যবহার করে।

সরল ভাষায় কথা বলতে গেলে ব্লকচেইন সেই তথ্যের সংরক্ষণ ও সার্ভিং এর একটি নতুন সিস্টেম। এটি দীর্ঘতর ক্রিপ্টোগ্রাফিকের আওতায় পরে থাকে এবং একটি ডিস্ট্রিবিউটেড লেজার যা সমস্ত দলের মধ্যে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

ব্লক চেইনের বৈশিষ্ট্য

ব্লকচেইন হল এমন একটি তথ্য সংগ্রহক, যা সংযোজিত একটি ব্লকের পরবর্তী ব্লক সঙ্গে সংযোজিত হয়। এটি সেকশনভাবে কাজ করে এবং পূর্ববর্তী ব্লকের উপর নির্ভর করে নতুন ব্লকের তথ্য যুক্ত করে। এটি একটি দাড়ির প্রকার আছে যেটি ডিজিটালি সংরক্ষিত হয়। প্রতিটি ব্লক একটি হ্যাশ ট্রেস্যাকশন হিস্ট্রি বা একটি লেডজারের পরিচালনা এবং নিরাপত্তা করে।

এই প্রযুক্তি একের পর এক ব্লককে একসাথে যুক্ত করে তথ্য স্থায়িত্বের উপর বিশ্বাসযোগ্যতা দেখায়। এটি একটি ডিসট্রিবিউটেড সিস্টেম যা মানবকে ট্রান্সপারেন্সি, সিকিউরিটি এবং তথ্য সংরক্ষণের একটি উজ্জ্বল সমাধান দেয়। এটি ওয়েবপেজ স্বাক্ষর ও ডিজিটাল স্বাক্ষরকে প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়।”

ব্লকচেইনের কাজ কি?

ব্লকচেইন হল একটি তথ্যসংগ্রহক যা কোনও একটি কেন্দ্রীয় প্রধান বিন্যাস না থাকে। একবার একটি ব্লকচেইন তৈরি করা হলে, তার তথ্য বিন্যাস পরিবর্তন করা যায় না। একটি নতুন ব্লক তৈরি হয় যখন নতুন তথ্য যুক্ত করা হয়। এছাড়াও, একটি ব্লকচেইনকে সহজভাবে হ্যাক না করা যায়।

যদি হ্যাক হয়, সেটি অন্য ব্লকগুলি প্রভাবিত করবে না। এছাড়াও যখন নতুন তথ্য যুক্ত করা হয়, তার বৈধতা যাচাই করা হয়। মুদ্রণ সরবরাহ করা একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় হয় এবং এটি স্মার্ট কনট্রাক্টরও ব্যবহৃত হয়। একটি কম্পিউটারে ব্লকচেইন তথ্য সংরক্ষণ করে এবং এটি না দেখা যায় পূর্ববর্তী আর্কিটেকচার ব্যবহার না করে।

ব্লকচেইন কবল একটি তথ্য সংগ্রহক না, এটি সাংগঠিক কর্মকাণ্ডে ও অন্য কিছু সম্পর্কিত সাইটে ব্যবহৃত হয়। “

ব্লকচেইন ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয়তা

ব্লকচেইন ব্যবহার এবং তার প্রয়োজনীয়তা এখন বিশ্বের উপযোগী প্রযুক্তি হিসাবে মেনে নেয়া হচ্ছে। ব্লকচেইন কি জানি না? আসুন শুরু করি। ব্লকচেইন হল একটি নেটওয়ার্ক যেখানে ডিজিটাল লেজারে তথ্য সম্পৃক্ত হবে এবং এটি নিয়ন্ত্রিত হবে ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রণালির মাধ্যমে। ব্লকচেইনে ডাটার সঞ্চয় দুটি উপায় রয়েছে।

একটি হল সমস্ত লেজার যা রাখা হয় যেমন এখন কম্পিউটার লেখা টেক্সট আরেকটি উপায় হল একটি পর্ধনকৃত সমূহের একটি সমন্বয় বা লম্বা তথ্য পাঠানো যাতে কারো সেটি পরিবর্তন করতে না পারে। ব্লকচেইনে একটি বিশেষ ধরনের ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহৃত হয় যা ডেটা সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। ব্লকচেইনের প্রয়োজনীয়তা থাকে ডেটা সঞ্চয় এবং নিরাপত্তা উন্নয়নে। আমরা নিশ্চিত হতে পারি যে আমাদের ডেটা বহিষ্কার হওয়ার পরেও এটি একেবারেই সংরক্ষিত থাকবে।

এতে দুর্নীতি এবং অস্থিরতা দ্বারা ভুগতান করা এড়াতে উপযোগী হতে পারে কেননা এখানে সমস্ত তথ্য দৃঢ়ভাবে সংরক্ষিত থাকে।

ব্লকচেইন কিভাবে কাজ করে?

ব্লকচেইন একটি নতুন টেকনোলজি যা পুরো বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। ব্লকচেইনের মূলত কাজ হলো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। একটি ব্লকচেইনের ক্ষেত্রে, একটি ব্লক একটি রেকর্ড হয় এবং এই রেকর্ডটি একটি চেইনের মতো যুক্ত হয় অন্য রেকর্ডের সাথে। সেই চেইনে একটি ব্লক একটি পূর্ববর্তী ব্লকের উপর নির্ভর করে তৈরি হয় যা একটি আইডি দ্বারা চিহ্নিত হয়ে থাকে।

প্রতিটি ব্লক একটি সময়সীমা দিয়ে নির্দেশ করা হয়, যা অবশ্যই পূর্ববর্তী ব্লকের সময়সীমার উপর নির্ভর করে থাকে। যখন নতুন ব্লক তৈরি হয়, তখন একটি সনদপত্র তৈরি হয় যা পূর্ববর্তী সমস্ত ব্লক সহ সামগ্রী রয়েছে এবং এই সমস্ত ব্লক একত্রে আসে একটি সংকলনে। ব্লকচেইন সাধারণত প্রযোজ্য হয় ক্রিপ্টোকারেন্সির ক্ষেত্রে। ব্লকচেইনে সংগ্রহিত সমস্ত তথ্য সুরক্ষিত থাকে এবং কোনো স্থান দ্বারা নির্দিষ্ট নয়।

প্রতিটি ব্লক অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে থাকে এবং সেই তথ্যগুলো সস্তার দিকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক দ্বারা সম্পূর্ণ হয়। ব্লকচেইন ব্যবহার করে একটি সিস্টেম তৈরি করা যা পারস্পরিক বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে। এই সিস্টেমে সমস্ত তথ্য একটি সরল, স্থির এবং নিরাপদ উপাত্ত দ্বারা সংরক্ষিত থাকে যা আমাদের উদ্ধার ও ব্যবহারে বেশ উপযোগী হতে পারে।

ব্লকচেইনে সুরক্ষা এবং ইউজার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ব্লকচেইন একটি উন্নয়নশীল প্রযুক্তি যা দুনিয়ার বিভিন্ন অংশের মধ্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মোটামুটি নিরাপদ একটি প্লাটফর্ম সরবরাহ করে। এটি একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটোকল যা সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেটি পরিচালনা করে। এই প্লাটফর্মটি একটি উচ্চ-স্তরের নিরাপদতা উপযোগী স্থাপন করে যা তথ্যকে হ্যাকার হতে প্রতিরোধ করে। সেটির কারণে অনেক ইউজাররা ব্লকচেইন টেকনোলজি ব্যবহার করে তাদের পার্সোনাল তথ্য এবং আর্থিক তথ্য সম্পর্কে একটি নিরাপদ এবং সিকিউর প্রদান করে।

একজন ব্যবহারকারী ব্লকচেইনে তাঁর তথ্য একেবারে গোপন রেখে দিতে পারে এবং এখানে বাস্তব সময় স্থিতি যাচাইযোগ্য হওয়া যেতে পারে। তখন ইউজার যদি নিশ্চিত না হয় তাহলে ব্লকচেইন এড়ানোর ক্ষেত্রে একটি রিভার্স প্রক্রিয়া৷ তবে এটি অসম্ভব এবং কখনওই ব্লকচেইন প্রযুক্তি এই ধরনের দুর্যোগবশত পরিস্থিতি তৈরি করে না। ব্লকচেইন টেকনোলজিতে উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা হল স্মার্ট কন্ট্রাক্ট ব্যবহার করে উত্পাদনকারী এবং কাস্টমার এর মধ্যে একটি বৃত্তি প্রস্তুত হওয়া। একজন ব্যবহারকারী অ্যাপরটি ব্যবহার করে তাঁর উত্পাদনকে অ্যাক্সেস করতে পারে এবং এর বিপরীতে একটি কার্যকর পরিস্থিতি উত্থাপন হবে।

সুতরাং ব্লকচেইন সেই প্রযুক্তি যা ইন্টারনেটের উপর তথ্য সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ এবং ইউজারদের নিরাপদ থাকার প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করে। তাছাড়া স্মার্ট কন্ট্রাক্ট এবং অন্যান্য ক্রিপ্টোগ্রাফিক উপকরণ ব্যবহার করে এর ব্যবহার আরও উন্নয়নশীল হচ্ছে।

Leave a Comment